শিরোনাম
◈ অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলেও কোনোটিতেই বসেনি যানবাহন চলন্ত অবস্থায় ওজন মাপার যন্ত্র ডব্লিউআইএম স্কেল ◈ সরকার বা দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ছাড় পাবে না: মাহদী আমিন ◈ প্রবাসীরা ই-মেইলে অভিযোগ দিলেই সমাধান পাবেন ◈ স্টুডিওতে লুটপাটের পর ‍সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, গ্রেট জব, বিএনপি জোস কাজ করছে’ ◈ ভুলের সুযোগে ইংল্যান্ডকে হারাল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ◈ ঢাকার মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের কারণ কী? ◈ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং সন্দেহে আবারও আটক ২৫৪ ◈ বৃদ্ধাশ্রমে সা‌বেক ক্রিকেটার বি‌নোদ কাম্বলি, কেমন আছেন জানালেন নিজেই ◈ বেকারত্ব থেকে অনলাইন জুয়া, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে অপরাধ ◈ ইউএনজিএ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০২৪, ০৯:০২ রাত
আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুই সিটিতে ৭৫০ কোটি টাকার প্রকল্পের সুফল পুরো মেলেনি  

ঢাকার অনেক এলাকায় এখনো একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা 

সালেহ ইমরান: [৩] নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও এখনো জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পায়নি ঢাকাবাসী। কোথাও কোথাও বৃষ্টির পানি দ্রত সরলেও অনেক জায়গায়ই ৩-৪ দিন ধরে জলাবদ্ধতার যন্ত্রণা পোহাতে হয়। বিশেষ করে মিরপুর, কাওরানবাজার, পান্থপথ, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, আগারগাঁও, গুলিস্তান এবং নিউমার্কেট এলাকার অনেক সড়কে একটু ভারী বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। (ডেইলি স্টার ১১-০৭-২০২৪)  

[৪] ওয়াসার কাছ থেকে ঢাকার খালগুলো দায়িত্ব বুঝে পাওয়ার পর জলাবদ্ধতা নিরসনে ৭৫০ কোটি টাকা ব্যয় করে দুই সিটি কর্পোরেশন। তারপরও অনেক এলাকায় দিনের পর দিন জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ। সিটি কর্পোরেশন বলছে, কিছু এলাকায় উন্নয়ন কাজের জন্য ড্রেনের সঙ্গে সংযোগ বন্ধ থাকায় পানি সরতে পারছে না। (প্রথম আলো ১০-০৭-২০২৪) 

[৫] তবে নগরবাসীর অভিযোগ, কিছু এলাকায় পরিকল্পিত সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা দূর হচ্ছে না। বিশেষ করে মিরপুর-১০ নম্বর থেকে ১৪ নম্বর ও ১১ নম্বর পর্যন্ত সড়কে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকছে। রোকেয়া সরনির শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া অংশও দীর্ঘসময় পানিতে ডুবে থাকে। অভিজাত এলাকা বলে পরিচিত বনানীর আর্মি স্টেডিয়াম ও নৌবাহিনী সদর দপ্তরের সামনের সড়কেও ভারী বৃষ্টির পর পানি জমে থাকছে। (রাইজিংবিডি ০৯-০৭-২০২৪)  

[৬] মালিবাগ, মগবাজার ও গ্রিনরোড এলাকার পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এখনো অনেক এলাকায় দীর্ঘসময় পানি জমে থাকতে দেখা যায়। দক্ষিণ সিটির জুরাইন ও উত্তর সিটির দক্ষিণখান এলাকায়ও মাঝারি বৃষ্টিতেই কয়েকদিন পর্যন্ত জলাবদ্ধতা দেখা যাচ্ছে। (বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ১০-০৭-২০২৪) 

[৭] দুই কর্পোরেশনের কর্তাদের দাবি, নগরীর কোথায় কোথায় জলাবদ্ধতা হয় তা তারা জানেন এবং তা নিরসনে তাদের কর্মযজ্ঞও রয়েছে। অথচ এই শুক্রবারও বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে নগরবাসীকে। (জাস্টনিউজ ০৯-০৭-২০২৪)  

[৮] এ ব্যাপারে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আগে কখনো পরিকল্পিতভাবে ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণ না হওয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসন হয়নি। আসছে নভেম্বরে নতুন ওয়ার্ডের রাস্তা ও ড্রেনেজের কাজ সম্পন্ন হলে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। 

[৯] সম্প্রতি দক্ষিণের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস বলেছিলেন, সরকারের অন্যান্য সংস্থার উন্নয়ন কাজ চলমান থাকায় কমলাপুর, গ্রিনরোড ও নিউমার্কেট এলাকায় পানি সরতে সমস্যা হচ্ছে। তবে শুধুমাত্র পুরান ঢাকা ও গুটিকয়েক নিচু এলাকা ছাড়া কোথাও পানি জমে থাকে না। (ইত্তেফাক ১২-০৭-২০২৪)। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

এসবি২

  • সর্বশেষ