শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জোড়া বিদেশ সফর, ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত ◈ বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগকারীদের পাশে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ ◈ ২৪ জেলার চিত্র বদলে দেবে পদ্মা ব্যারাজ ◈ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম যেসব ঘটনায় আলোচনায় ◈ মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তৈরি হবে বাংলাদেশেই : প্রধানমন্ত্রী ◈ কিশোর–কিশোরীদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ◈ ‘যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাজি ধরলে পস্তাতে হবে না’ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনার ভেন্যুর শহরে বন্যা, সতর্কতা জারি ◈ দেশের স্বার্থেই কূটনৈতিক সফর, কারও মন জোগাতে নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০২৪, ০৯:০২ রাত
আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুই সিটিতে ৭৫০ কোটি টাকার প্রকল্পের সুফল পুরো মেলেনি  

ঢাকার অনেক এলাকায় এখনো একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা 

সালেহ ইমরান: [৩] নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও এখনো জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পায়নি ঢাকাবাসী। কোথাও কোথাও বৃষ্টির পানি দ্রত সরলেও অনেক জায়গায়ই ৩-৪ দিন ধরে জলাবদ্ধতার যন্ত্রণা পোহাতে হয়। বিশেষ করে মিরপুর, কাওরানবাজার, পান্থপথ, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, আগারগাঁও, গুলিস্তান এবং নিউমার্কেট এলাকার অনেক সড়কে একটু ভারী বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। (ডেইলি স্টার ১১-০৭-২০২৪)  

[৪] ওয়াসার কাছ থেকে ঢাকার খালগুলো দায়িত্ব বুঝে পাওয়ার পর জলাবদ্ধতা নিরসনে ৭৫০ কোটি টাকা ব্যয় করে দুই সিটি কর্পোরেশন। তারপরও অনেক এলাকায় দিনের পর দিন জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ। সিটি কর্পোরেশন বলছে, কিছু এলাকায় উন্নয়ন কাজের জন্য ড্রেনের সঙ্গে সংযোগ বন্ধ থাকায় পানি সরতে পারছে না। (প্রথম আলো ১০-০৭-২০২৪) 

[৫] তবে নগরবাসীর অভিযোগ, কিছু এলাকায় পরিকল্পিত সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা দূর হচ্ছে না। বিশেষ করে মিরপুর-১০ নম্বর থেকে ১৪ নম্বর ও ১১ নম্বর পর্যন্ত সড়কে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকছে। রোকেয়া সরনির শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া অংশও দীর্ঘসময় পানিতে ডুবে থাকে। অভিজাত এলাকা বলে পরিচিত বনানীর আর্মি স্টেডিয়াম ও নৌবাহিনী সদর দপ্তরের সামনের সড়কেও ভারী বৃষ্টির পর পানি জমে থাকছে। (রাইজিংবিডি ০৯-০৭-২০২৪)  

[৬] মালিবাগ, মগবাজার ও গ্রিনরোড এলাকার পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এখনো অনেক এলাকায় দীর্ঘসময় পানি জমে থাকতে দেখা যায়। দক্ষিণ সিটির জুরাইন ও উত্তর সিটির দক্ষিণখান এলাকায়ও মাঝারি বৃষ্টিতেই কয়েকদিন পর্যন্ত জলাবদ্ধতা দেখা যাচ্ছে। (বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ১০-০৭-২০২৪) 

[৭] দুই কর্পোরেশনের কর্তাদের দাবি, নগরীর কোথায় কোথায় জলাবদ্ধতা হয় তা তারা জানেন এবং তা নিরসনে তাদের কর্মযজ্ঞও রয়েছে। অথচ এই শুক্রবারও বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে নগরবাসীকে। (জাস্টনিউজ ০৯-০৭-২০২৪)  

[৮] এ ব্যাপারে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আগে কখনো পরিকল্পিতভাবে ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণ না হওয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসন হয়নি। আসছে নভেম্বরে নতুন ওয়ার্ডের রাস্তা ও ড্রেনেজের কাজ সম্পন্ন হলে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। 

[৯] সম্প্রতি দক্ষিণের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস বলেছিলেন, সরকারের অন্যান্য সংস্থার উন্নয়ন কাজ চলমান থাকায় কমলাপুর, গ্রিনরোড ও নিউমার্কেট এলাকায় পানি সরতে সমস্যা হচ্ছে। তবে শুধুমাত্র পুরান ঢাকা ও গুটিকয়েক নিচু এলাকা ছাড়া কোথাও পানি জমে থাকে না। (ইত্তেফাক ১২-০৭-২০২৪)। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়