শিরোনাম
◈ বা‌ঘের গর্জন শুন‌লো অ‌স্ট্রেলিয়া, ডারউইনে ইতিহাস গড়‌লো বাংলাদেশ  ◈ সরকার বল‌ছে জ‌ঙ্গি নেই, তারপ‌রেও বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা ও আল কায়েদা ইস্যু আবার কেন আলোচনায়?  ◈ থাইল্যান্ডের বয়স‌ভি‌ত্তিক সাঁতারে বাংলা‌দে‌শের রাফির সোনা জয়  ◈ ভারতে যৌথভাবে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন বানাবে রিলায়েন্স ও রোলস-রয়েস ◈ ইমরান খান অধিনায়ক থাকলে টেস্টে ৪০০ উইকেট পেতাম, ওয়া‌সিম আকরা‌মের সমালোচনাও করলেন শোয়েব আখতার ◈ অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস লিভারপুলের মালিকানায় ◈ ঢাকার ১১০ কিমি নৌপথে চালু হচ্ছে বৈদ্যুতিক ওয়াটার বাস, ৪৫টি ল্যান্ডিং পয়েন্ট নির্ধারণ ◈ খুলনা-বরিশালসহ ৬ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আভাস ◈ আজ কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ মেঘমুক্ত আকাশে দেখা মিলছে কাঞ্চনজঙ্ঘার, পঞ্চগড়ে বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা

প্রকাশিত : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৫ দুপুর
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

ইমরান খান অধিনায়ক থাকলে টেস্টে ৪০০ উইকেট পেতাম, ওয়া‌সিম আকরা‌মের সমালোচনাও করলেন শোয়েব আখতার

স্পোর্টস ডেস্ক : পাকিস্তানের হয়ে তিনি মাত্র ৪৬টি টেস্ট খেলেছেন। পেয়েছেন ১৭৮টি উইকেট। তবে ইমরান খান অধিনায়ক হলে তিনি ৪০০টি উইকেট পেতে পারতেন। এক সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করলেন শোয়েব আখতার। পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার ঘুরিয়ে সমালোচনা করে প্রাক্তন সতীর্থ ওয়াসিম আকরামের।

২০১১ বিশ্বকাপের পর অবসর নেন শোয়েব। সেই সময় শাহিদ আফ্রিদির সঙ্গে তাঁর ঝামেলার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। ‘জিয়ো টিভি’র একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে শোয়েব জানিয়েছেন, তাঁর স্বপ্নের অধিনায়ক ইমরানের অধীনে খেলতে পারলে জীবনটাই অন্য রকম হত। --- আনন্দবাজার

শোয়েব বলেছেন, যদি আমি ইমরান খানের মতো আগ্রাসী অধিনায়কের অধীনে খেলতে পারতাম, তা হলে অনেক কিছু শিখতে পারতাম। টেস্ট ক্রিকেটে ৪০০ উইকেট পেতে পারতাম। রাওয়ালপিন্ডিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্টে অভিষেক হয়েছিল শোয়েবের। সেই সময়ে পাকিস্তানের তৎকালীন অধিনায়ক আক্রম শোয়েবকে খেলাতে চাননি। তিনি মনে করেছিলেন, বড্ড আগে অভিষেক হচ্ছে শোয়েবের। পরবর্তীকালে দুই পেসারের মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা ভাল ছিল না। যদিও পাকিস্তানের হয়ে তাঁরা জুটি বেধে অনেক ম্যাচ জিতিয়েছেন।

শোয়েব জানিয়েছেন, ১৪ বছরের ক্রিকেটজীবনে অনেক শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে। নিজেকে ফিট রাখার জন্য কঠোর রুটিন অনুসরণ করেছেন।

শোয়েবের কথায়, “বাকিদের থেকে তিন ঘণ্টা আগে উঠতে হত। আগে সাইকেল চালিয়ে জিম যেতাম। হাঁটু শক্ত হয়ে যেত। কাজ করত না। হাঁটু থেকে ফ্লুইড বেরোত। ওষুধ দিয়ে, বরফ লাগিয়ে নিজেকে ঠিক রেখেছিলাম। তার পর কোনও ম্যাচ গিয়ে বল করতাম। ম্যাচের পর আরও পাঁচ ঘণ্টা লাগত শরীর ঠিক হতে। ওটাই আমার জীবন ছিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়