স্পোর্টস ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের এমন দৃঢ়তা দেখার অভ্যাস নেই স্বাগতিকদের। ডারউইনে তাই বাংলাদেশকে যখন ১৩৮ ওভার বল করতে হলো, তখন নিজেদের প্রস্তুতির ঘাটতিকেই দায়ী করলেন জশ হ্যাজলউড। তাঁর মতে, বাংলাদেশের ব্যাটারদের নিয়ে পর্যাপ্ত ভিডিও ফুটেজ না থাকায় মাঠেই তাদের ব্যাটিং বুঝে নিতে হচ্ছে।
ম্যাচের তৃতীয় দিনের শেষে বাংলাদেশ ৪২৬ রানে অলআউট হলেও অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ২২৮ রানের বিশাল লিড নেয় টাইগাররা। জবাবে দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৬১ রান তুলেছে স্বাগতিকেরা। ফলে, তৃতীয় দিন শেষে এখনো ৬৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। -- ডেইলি ক্রিকেট
দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে হ্যাজলউড বলেন, ‘কিছু ব্যাটার আছে, যাদের বিপক্ষে নিয়মিত খেলা হয়না আমাদের। এমন কন্ডিশনে বাংলাদেশের ব্যাটারদের খুব বেশি ফুটেজও আমাদের কাছে নেই। তাই খেলার মাঝেই আমাদের তাদের সবকিছু বুঝে নিতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ইনিংসের শুরুর দিকে একটু দ্রুতই রান নিয়েছে। যদি আমরা টানা কিছু মেডেন ওভার করতে পারতাম, তাহলে ওদের ওপর চাপ তৈরি করা যেত।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের সামলাতে না পারলেও ব্যক্তিগতভাবে দারুণ দিন কেটেছে হ্যাজলউডের। ৮৯ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারে ৩০০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি।
দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার ভরসা হয়ে ৪৩ রানে অপরাজিত আছেন গ্রিন। তাসকিন আহমেদের বলে ইনসাইড এজ হয়ে স্টাম্পে বল লাগলেও বেলস না পড়ায় জীবন পান তিনি। এই ঘটনাকে ম্যাচের সম্ভাব্য মোড় হিসেবে দেখার পাশাপাশি সৌভাগ্যও মনে করেন হ্যাজলউড।
তার মতে, ‘ক্রিকেটে ভাগ্যের অবশ্যই প্রয়োজন আছে। তবে গ্রিনের খেলার ধরন ভালো ছিল। সে শুরু থেকেই রান করার চেষ্টা করেছে। ভাগ্য তো মাঝে মাঝে অনেক দূর নিয়ে যায়। তাই বলা যায় না এটাই টার্নিং পয়েন্ট কি না।সবকিছুর মাঝেও বাংলাদেশের পেসারদের প্রশংসা করতে ভুলেননি এই অজি পেসার।
তার ভাষায়, ‘বাংলাদেশের পেসাররা এই কন্ডিশনে খুব ভালো বোলিং করেছে। প্রথম দিনের শুরুর দিকে তারা উইকেট থেকে সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছে এবং সেটা তারা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে। আমার মনে হয় বাংলাদেশের পেসাররা ফুল লেংথে বেশ ভালো বোলিং করেছে।