শিরোনাম
◈ ১৮ আগস্ট থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চালু হচ্ছে এআই ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ ◈ ভারতীয় ক্রিকেট বো‌র্ডের প্রধান নির্বাচকের দৌড়ে জহির খান ◈ বিভ্রান্ত করবেন না, সঠিক পরিকল্পনা আনুন বাস্তবায়ন করব: বিরোধীদলের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী ◈ শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে বাড়ছে সঞ্চয়, জুনে নতুন হিসাব ১ লাখ ১৮ হাজার ◈ শেখ মুজিবকে হত্যার আগে অস্থির ছিল বাংলাদেশ, ঘটেছিল যেসব ঘটনা ◈ গুলিভর্তি ব্যাগ নিয়ে শাহজালাল বিমানবন্দর পার আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান, দায়িত্বে থাকা দুই স্ক্রিনারের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ ◈ বিএনপি ৩১ দফা দেয়, পূরণ করে ৩২ দফা পর্যন্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষা, আলোচনায় একাধিক নাম ◈ বিশেষ সতর্কবার্তা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ◈ শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে আজ ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:২৪ রাত
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হত্যাকাণ্ডের ৯ দিন পর ভারত থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ দেশে, সৎকার সম্পন্ন

রুকুনুজ্জামান, পার্বতীপুর প্রতিনিধি: রহস্যজনক মৃত্যুর ৯ দিন পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয়চন্দ্র সরকার (২৩)-এর অর্ধগলিত মরদেহ অবশেষে নিজ গ্রাম দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহটি তার গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। পরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় শ্মশানঘাটে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ও ভারতের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েক দফা চিঠিপত্র বিনিময়ের পর দুই দেশের সরকারি ব্যবস্থাপনায় মরদেহটি দেশে আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর ও বাংলাদেশের বেনাপোল বন্দর হয়ে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহটি পার্বতীপুরে পৌঁছানো হয়।

মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়লে শোকাহত স্বজনদের পাশাপাশি শত শত গ্রামবাসী সেখানে ভিড় করেন। তবে মরদেহের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে দ্রুত স্ট্রেচারে করে স্থানীয় শ্মশানঘাটে নেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে জয়চন্দ্র সরকারের মৃত্যুকে ঘিরে দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে।

নিহত জয়চন্দ্র সরকার দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মন্মথপুর গ্রামের রঞ্জিত চন্দ্র সরকারের বড় ছেলে। তিনি ২০২৪ সালে স্টুডেন্ট ভিসায় ভারতে গিয়ে দিল্লির সারদা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হন। পরে বিষয়টি পছন্দ না হওয়ায় ২০২৫ সালে কলকাতার উত্তর চব্বিশ পরগনার বারাসাতে অবস্থিত ব্রেনওয়্যার ইউনিভার্সিটিতে বি.টেক (সিএসই) বিভাগে ভর্তি হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ আগস্ট রাত প্রায় ৮টার দিকে এক অজ্ঞাত নারী ফোনে বাংলাদেশে জয়চন্দ্রের পরিবারকে জানান, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে নিহতের মামা মানিক সরকার ভারতে গিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা করেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তারা বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়