শিরোনাম
◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও) ◈ এবার টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, হামলার দায় স্বীকার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:৩৯ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তীব্র খরায় বিপর্যস্ত সুইজারল্যান্ডের কৃষি, ছাড়াতে পারে ২০০৩ সালের রেকর্ড

সুইজারল্যান্ডে চলমান ভয়াবহ খরায় কৃষি খাতে ক্ষতির পরিমাণ ২০০৩ সালের সংকটের সময়ের ৫০ কোটি সুইস ফ্রাঁর রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির কৃষক ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মার্কুস রিটার। তার মতে, কর্মজীবনে এমন নজিরবিহীন খরা তিনি আগে কখনো দেখেননি।

সুইস সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রিটার বলেন, গ্রীষ্ম শুরুর সময়ই মাটিতে আর্দ্রতার ঘাটতি তৈরি হওয়ায় পুরো দেশজুড়ে একটি ‘ব্যতিক্রমী’ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক আবহাওয়া দেশের কৃষকদের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করেছে বলেও জানান তিনি।

রিটার বলেন, খুচরা বিক্রেতারা অতিরিক্ত কিছু ব্যয় বহনের আগ্রহ দেখালেও কৃষি খাতকেই আর্থিক ক্ষতির বড় অংশ বহন করতে হবে।

আলু-চিনি বিটে বড় ধাক্কা

Advertisement

খরার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে আলু ও চিনি উৎপাদনকারী বিটের ফলনে। ভুট্টার উৎপাদনও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে গম ও যব তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খরা তীব্র হওয়ার আগেই এসব ফসলের বড় অংশ পরিপক্ব হয়ে যাওয়ায় সফলভাবে তা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে।

খাদ্যের সংকটেও পড়েছেন গবাদিপশু খামারিরা। গ্রীষ্মকাল পার করতে অনেক কৃষক ইতোমধ্যে শীতের জন্য সংরক্ষিত পশুখাদ্য ব্যবহার শুরু করেছেন। এর মধ্যে খড়ের দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে চারণভূমির অবনতি ও পশুখাদ্যের সংকটের কারণে গবাদিপশু ও দুগ্ধ খামারগুলো আরও আর্থিক চাপে পড়েছে।

সরকারি প্রতিক্রিয়া

পরিস্থিতি সংকটজনক হলেও সরকারকে জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিপরীতে রিটার। বরং কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আতঙ্কিত না হওয়া। কৃষক ইউনিয়ন ফেডারেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে বলেও জানান তিনি।

ইতোমধ্যে সংকট মোকাবিলায় কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সুইস কর্তৃপক্ষ। আলপাইন অঞ্চলের কয়েকটি চারণভূমিতে বিমানযোগে পানি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পশুখাদ্য আমদানির খরচ কমাতে আমদানি শুল্কও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

খরচ ভাগাভাগি নিয়ে খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনা হবে বলেও জানান রিটার। তবে শেষ পর্যন্ত কৃষকদেরই ক্ষতির বড় অংশ বহন করতে হতে পারে বলে স্বীকার করেন তিনি।

সূত্র: আমার দেশ 

  • সর্বশেষ