তেল, গ্যাস বা কয়লা নয় এবার মধ্যকার্ষণ শক্তিতে উৎপাদন হবে বিদ্যুৎ। পবিত্র কুরআন থেকে গবেষণা করে যা আবিষ্কার করার দাবি করেছেন, কুমিল্লার এক কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
কওমি মাদ্রাসার পাঠ্যসূচিতে বিজ্ঞান নেই। কিন্তু আবদুর রহমান সুহাইল ছোটবেলা থেকেই ছিলেন বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহী। তাই কুরআন হাদিসের পাশাপাশি বিজ্ঞানের নানান আবিষ্কার নিয়েও তিনি পড়তে থাকেন। মিলাতে থাকেন পবিত্র কুরআনের বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন আয়াতের সঙ্গে। শুরু করেন গবেষণা। সেই গবেষণার এক পর্যায়ে মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বলে সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেছেন আবদুর রহমান সুহাইল নামের এই কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার্থী।
আবদুর রহমান সুহাইল বাংলাভিশনকে বলেন, আমার উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে মাধ্যাকার্ষণ শক্তির মাধ্যমে ভারী বস্তুকে নিচের দিকে ছেড়ে ক্রেন ঘোরানো হবে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।
তার দাবী অনুযায়ী, এই আবিষ্কারের সবচেয়ে বিষ্ময়কর দিক হলো, যে ভারী বস্তুকে তিনি নিচের দিকে ফেলে ক্রেন ঘুরাবেন সেই ভার উল্টোপাশে গিয়ে হালকা বস্তুতে পরিণত হয়ে যাবে। এভাবে নিয়মিত ঘুরে তৈরি হবে বিদ্যুৎ।
সুহাইল জানান, ২০২২ সালে তিনি এই আবিষ্কার করেন। গত দুবছর তিনি সরকারের বিদ্যুৎ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে ঘুরে ঘুরে তার এই আবিষ্কার তুলে ধরেন। কিন্তু কোথাও পাননি আশানরূপ সাড়া।
তবে গত ৬ জুলাই বিজ্ঞাণ প্রযুক্তি মন্ত্রি তার আবিষ্কার শুনে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেও তারপর আর সাড়া দেননি বলে অভিযোগ আবদুর রহমান সুহাইলের।
তার দাবি, শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, কুরআন থেকে গবেষণা করে একটি নিরাপত্তা সরঞ্জামও তৈরি করেছেন তিনি। যা ব্যবহার করলে সড়ক দুর্ঘটনায়ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না মানুষ। জানান গবেষণা করছেন, গুরুত্বপূর্ণ আরো অনেক কিছু নিয়ে।
সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব গবেষণা দেশ ও বিশ্বের জন্য নতুন দুয়ার খুলে দেবে বলেও দাবি করেন আব্দুর রহমান সুহাইল।
সূত্র: বাংলাভিশন