শিরোনাম
◈ ২০২৭ থেকেই শিক্ষায় বড় পরিবর্তন, কী থাকছে নতুন পরিকল্পনায়? ◈ পাকিস্তানে আবারও আত্মঘাতী হামলা, সেনা চেকপোস্টে নিহত ২৭ ◈ ইরান যুদ্ধে চীন-রাশিয়া জড়ালে তাদের জন্য ‘খুব খারাপ’ হবে: ট্রাম্প ◈ ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি: বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে ধাক্কা নাকি সুযোগ? ◈ ভারত-চীন ইস্যুতে নিজের নিয়ম ভাঙছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতির পদটিকে ব্যক্তি নয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখে বিএনপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দুর্বৃত্তের গুলিতে মিরপুরে যুবদল কর্মী নিহত, পথচারী গুলিবিদ্ধ ◈ মতিঝিলে নিষ্ক্রিয় করা বোমা ছিল আইআইডি: ডিএমপি ◈ ‘মেয়েটি গাজী নজরুলের সেবা করতে চেয়েছিল’, জামায়াতের আরেক এমপি (ভিডিও) ◈ স্বাধীনতার পর ১৮ রাষ্ট্রপতির মধ্যে মাত্র ৮ জন শেষ করেছেন পূর্ণ মেয়াদ

প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২৩, ০৫:২৬ সকাল
আপডেট : ৩১ মার্চ, ২০২৩, ০৫:২৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কারণে রমজানে কুরআন তিলাওয়াত গুরুত্বপূর্ণ

ফাইল ছবি

ইসলাম ডেস্ক: মানুষকে সরল-সঠিক পথের দিশা দিতে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন নাজিল করেছেন। এই গ্রন্থে সবার জন্য রয়েছে হেদায়েত। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘এটা (কোদরআন) সেই কিতাব, যাতে কোন সন্দেহ নেই। এটা মুত্তাকীদের জন্য পথ প্রদর্শক।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত, ২)।

মানুষের হেদায়েতের বাণী কুরআন নাজিল হয়েছে পবিত্র রমজান মাসে। বর্ণিত হয়েছে, ‘রমজান মাস, যে মাসে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, যা মানুষের জন্য হিদায়াত এবং সুপথপ্রাপ্তির সুস্পষ্ট পথনির্দেশ আর হক-বাতিলের মধ্যে পার্থক্যকারী। সুতরাং তোমাদের যে কেউ এ মাস পাবে সে যেন অবশ্যই এর রোজা রাখে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫)

কুরআন নাজিলের মাসে বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করা আবশ্যক। আল্লাহর রাসুল সা. এ মাসে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করতেন। তিনি প্রতি রমজানে হজরত জিবরাইল আ.–কে পূর্ণ কুরআন একবার শোনাতেন এবং হজরত জিবরাইল আ.ও নবীজি সা.–কে অবতীর্ণ পূর্ণ কুরআন একবার শোনাতেন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ রমজানে দশম হিজরির রমজান মাসে হজরত জিবরাইল আ.–কে পূর্ণ কুরআন মজিদ দুবার শোনান এবং হজরত জিবরাইল আ.–ও মহানবী সা.কে পূর্ণ কুরআন শরিফ দুবার শোনান।

সাহাবায়ে কিরামও রমজান মাসে বেশি বেশি তিলাওয়াত করতেন।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের অনুসরণে সালফে সালেহিন প্রতি রমজান মাসে কোরআন খতম করতেন। হজরত ইব্রাহিম নাখায়ি রহ. বলেন, আসওয়াদ রমজানের প্রতি দুই রাত্রিতে একবার কুরআন খতম করতেন। (আস- সিয়ার, (৪/৫১)

কাতাদা রহ. সাতদিনে একবার কুরআন খতম করতেন। রমজান মাস এলে প্রতি তিনদিনে একবার কুরআন খতম করতেন। শেষ দশ রাত্রি শুরু হলে প্রতি রাতে একবার কুরআন খতম করতেন। (আস সিয়ার, (৫/২৭৬)

নবীজি, সাহাবি ও পূর্ববর্তী বুজুর্গ আলেমদের আমলের অনুসরণ করতে প্রত্যেক মুমিনের উচিত রমজানের বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা।

এমএএস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়