শিরোনাম
◈ মেসির বিদায়ী ম্যাচেও কেলেঙ্কারি, এএফএর বিরুদ্ধে ‘অর্থলোভী’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ! ◈ বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে নাঃখাদ্যমন্ত্রী ◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক

প্রকাশিত : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৫৭ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনিচ্ছায় গলার ভেতর পানি ঢুকলে কি রোজা ভাঙে?

রোজা সঠিকভাবে আদায় করা একজন মুমিনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দৈনন্দিন অনেক কাজেই অসাবধানতাবশত আমাদের রোজা ভেঙে যেতে পারে। তাই কিছু কাজ আমাদের খুবই সাবধানে করতে হবে।

রোজার দিনে অজু বা গোসলের সময় কুলি করা বা নাকে পানি দেওয়ার সময় পানি গলার ভেতরে চলে যেতে পারে। তাহলে রোজা হবে কী না, তা নিতে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে। যদিও বিষয়টি দৈনন্দিন জীবনের একটি সাধারণ ঘটনা, তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে এর স্পষ্ট ও নির্ধারিত বিধান রয়েছে।

ইসলামি স্কলারদের বক্তব্য অনুযায়ী, অজু বা গোসলের সময় রোজার কথা স্মরণ থাকা অবস্থায় যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে পানি গলার ভেতরে চলে যায়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে এবং তা কাজা করতে হবে। এ প্রসঙ্গে সাহাবি লাকিত ইবনে সাবিরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ  (সা.) বলেন—

بَالِغْ فِي الِاسْتِنْشَاقِ إِلَّا أَنْ تَكُونَ صَائِمًا

Advertisement

‘তোমরা (অজু ও গোসলের সময়) নাকে ভালোভাবে পানি দেবে; তবে রোজা অবস্থায় নয়।’ (আবু দাউদ ২৩৬৩, তিরমিজি ৭৮৫)

এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, রোজা অবস্থায় অজু বা গোসলের সময় নাকে পানি দেওয়া ও কুলি করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক।

প্রখ্যাত তাবেয়ি ও মুহাদ্দিস হজরত সুফিয়ান সাওরি (রাহ.) বলেন- ‘রোজা অবস্থায় কুলি করতে গিয়ে যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে গলার ভেতরে পানি চলে যায়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে এবং তা কাজা করতে হবে। অজু ফরজ নামাজের জন্য হোক কিংবা নফল নামাজের জন্য—উভয় ক্ষেত্রেই একই বিধান প্রযোজ্য।’ (মুসান্নাফে আবদুর রাজযাক ৭৩৮০)