শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:০৬ বিকাল
আপডেট : ০৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবায় হাজিরের জন্য দুই লাখ নোটিস জারি 

ইমা এলিস/বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) ২০২৫ সালে অবৈধ অভিবাসন দমন ও অপরাধে জড়িত অভিবাসীদের অপসারণে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম বছরের ফলাফল তুলে ধরে নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। অভিবাসীদের দ্রুত বহিষ্কার প্রক্রিয়ায়  আনার জন্য ২০২৫ সালে সংস্থাটি রেকর্ড প্রায় ২ লাখ ( ১ লাখ ৯৬ হাজার) ‘নোটিস টু অ্যাপিয়ার (এনটিএ)’ জারি করেছে ইউএসসিআইএস।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম-এর অধীন সংস্থা ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর শপথ গ্রহণের পর থেকে তারা জাতীয় নিরাপত্তা ও জালিয়াতির আশঙ্কায় ১৪ হাজারের বেশি মামলা অভিবাসন এবং শুল্ক প্রয়োগ (আইসিই)-এর কাছে পাঠিয়েছে। এর মধ্যে ১৮২টি মামলা নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত।

advertisement

ইউএসসিআইএস আরও জানায়, সংস্থাটির জালিয়াতি সনাক্তকরণ এবং জাতীয় নিরাপত্তা অধিদপ্তর (এফডিএনএস) মোট ১৯ হাজার ৩০০টি জালিয়াতি–সংক্রান্ত মামলা সম্পন্ন করেছে এবং পর্যালোচিত মামলার প্রায় ৬৫ শতাংশে জালিয়াতি শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি ৬ হাজার ৫০০-এর বেশি সাইট ভিজিট এবং সম্ভাব্য অভিবাসীদের ১৯ হাজার ৫০০টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই করা হয়েছে।
ইউএসসিআইএস পরিচালক জোসেফ বি. এডলো বলেন, ইউএসসিআইএস ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করছে শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, সততা ও জবাবদিহি ফিরিয়ে এনে অভিবাসন ব্যবস্থা যেন জাতীয় স্বার্থে কাজ করে এবং বিদেশি নাগরিকের চেয়ে আমেরিকানদের অগ্রাধিকার দেয়, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

২০২৫ সালে সংস্থাটি রেকর্ড ১ লাখ ৯৬ হাজার ‘নোটিস টু অ্যাপিয়ার (এনটিএ)’ জারি করেছে, যাতে অভিবাসীদের বহিষ্কার প্রক্রিয়ায় নেওয়া যায়। ট্রাম্প প্রশাসনের সময়কালে ইউএসসিআইএস ফিল্ড অফিসগুলোতে ২ হাজার ৪০০-এর বেশি গ্রেপ্তার হয়েছে বলেও জানানো হয়।

advertisement

নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কথাও তুলে ধরে ইউএসসিআইএস। গত ২৬ নভেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে এক হামলায় ন্যাশনাল গার্ড সদস্য নিহত ও আরেকজন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় এক আফগান নাগরিক অভিযুক্ত হওয়ার পর, সব দেশের জন্য আশ্রয় প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয় এবং উচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোর সব গ্রিন কার্ড পুনরায় পর্যালোচনা শুরু করা হয়।

এছাড়া, সেপ্টেম্বরে ডিএইচএস-এর শীর্ষ যাচাই শাখা নাগরিকত্ব পরীক্ষাকে কঠোর করে প্রশ্নসংখ্যা ১০০ থেকে ১২৮-এ উন্নীত করা হয়, পরীক্ষায় প্রশ্ন ১০ থেকে ২০ করা হয় এবং পাস নম্বর ৬ থেকে ১২ সঠিক উত্তরে বাড়ানো হয়।

advertisement

নিয়োগ বাড়াতেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নভেম্বরের শুরুতে জানানো হয়,  ইউএসসিআইএস অফিসার হতে ২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে এবং ইউএসসিআইএস জানায়, ‘হোমল্যান্ড ডিফেন্ডার’ (আগের নাম ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস অফিসার) হতে ৫০ হাজারের বেশি আবেদন এসেছে। এরা বৈধ অভিবাসীরা গ্রিন কার্ড, ভিসা বৃদ্ধি বা নাগরিকত্বের যোগ্য কি না, তা নির্ধারণে কাজ করেন।
ইউএসসিআইএস বলছে, এসব পদক্ষেপ ট্রাম্পের সেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন—যেখানে তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের “ত্রুটিপূর্ণ অভিবাসন নীতি” কঠোরভাবে সংশোধনের কথা বলেছিলেন।

এক বিবৃতিতে ক্রিস্টি নোয়েম বলেন, এক বছরেরও কম সময়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এনে দিয়েছেন এবং এই প্রশাসনের কাজ এখনো শুরু মাত্র। আমরা রেকর্ড সময়ে সীমান্ত সুরক্ষিত করেছি, কার্টেলদের বিরুদ্ধে লড়েছি এবং হাজার হাজার অপরাধী অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছি। ২০২৫ ঐতিহাসিক হলেও, কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।

  • সর্বশেষ