শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রে নিঝুম মজুমদারকে হেনস্তা করে যুক্তরাষ্ট্র যুবদল, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সামনে (ভিডিও) ◈ প্রধানমন্ত্রীর দেখা না পেয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের ওপর ক্ষু'ব্ধ নেতাকর্মীরা, হেনস্তার চেষ্টা (ভিডিও) ◈ উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন ৮ ইউএনও ◈ কুমিল্লায় সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আটক ◈ বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনা সারাদেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে ◈ মোহাম্মদপুরে কয়েকশ’ লোকের হামলা-ভাঙচুর, ১৫ লাখ টাকা ও জমির দলিল লুটের অভিযোগ ◈ টিকটক পরিচয়ে কুমিল্লায় দেখা করতে গিয়ে কিশোরী ধর্ষণের শিকার, অভিযুক্ত পলাতক ◈ গাইবান্ধায় যেভাবে কণ্ঠ নকল করে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার ফাঁদ পাতেন প্রতারক (ভিডিও) ◈ যুক্তরাজ্যে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি, আগস্টে প্রবৃদ্ধি ১০.৫৩%

প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:১৩ বিকাল
আপডেট : ০৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

বিবিসি, টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি: নাম তার ইয়াংচেন লাচুংপা। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। ইন্টারপোলও তার বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস জারি করেছিল। এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী এই নারীকে ভারতের সিকিম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দেশটির মধ্যপ্রদেশে রাজ্যের টাইগার স্ট্রাইক ফোর্স (এসটিএসএফ) এবং ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো (ডব্লিউসিসিবি)-এর যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। 

লাচুংপাকে গ্রেফতারে সহযোগিতা করেছে সিকিম পুলিশ, এসএসবি এবং সিকিম বন দফতর।

জানা গেছে, ভারত-চীন সীমান্ত থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে উত্তর সিকিমের লাচুং এলাকা থেকে লাচুংপাকে গ্রেফতার করা হয়। গত ১০ বছর ধরে ভারত এবং বিদেশে লাচুংপার খোঁজ চলছিল। এর আগে বেশ কয়েকবার পুলিশের নাগালে এলেও, পালাতে সক্ষম হয়েছিলেন লাচুংপা। মূলত নেপাল, তিব্বত এবং চীন ছিল তার নিরাপদ আশ্রয়। এমনটাই জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। ভারতে ঢোকার জন্য মূলত পাহাড়ি দুর্গম রাস্তা ব্যবহার করতেন, যেসব এলাকায় নজরদারি কম, সেই এলাকাগুলোকেই বেছে নিতেন লাচুংপা। বারবার পালাতেও সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু এবার অনেক আঁটঘাঁট বেঁধেই লাচুংকে ধরার জন্য ফাঁদ পাতা হয়েছিল।

গোপন সূত্রে খবর আসে উত্তর সিকিমে রয়েছেন লাচুংপা। বড় কোনও পাচারের উদ্দেশে এসেছেন। সেই খবর পেয়েই ভারতের এসটিএসএফ, ডব্লিউসিসিবি যোগাযোগ করে সিকিম পুলিশ এবং সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)-এর সঙ্গে। তারপরই লাচুং এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ এই নারী পাচারকারীকে। 

ঘটনার সূত্রপাত ২০১৫ সাল। মধ্যপ্রদেশের সাতপুরা বাঘ সংরক্ষণ কেন্দ্রের কামতি রেঞ্জে বাঘের হাড়, চামড়া, প্যাঙ্গোলিনের আঁশ উদ্ধার হয়। সেই সূত্র ধরে বিরাট এক পাচারচক্রের হদিস পায় স্থানীয় বন অধিদফতর। মূলত বাঘের হাড়, চামড়া, নখ, হাড়ের তেল এবং প্যাঙ্গোলিনের আঁশ নেপাল, চীন এবং তিব্বত-সহ বিদেশের বেশ কয়েকটি জায়গায় পাচার করা হচ্ছিল। যার আন্তর্জাতিক বাজারদর কোটি কোটি টাকা। সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার তিন মাসের মধ্যে জয় তামাং নামে এক পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়। মূলত তামাংয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে পাচার করা হতো এসব জিনিস। আর পাচারচক্রের হোতা ছিলেন এই লাচুংপা। 

তামাংয়ের সূত্র ধরেই লাচুংপা-সহ ৩৬ জনের হদিস মেলে। ২০২২ সালে নর্মদাপুরম আদালত ২২ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে। কিন্তু লাচুংপার হদিস মিলছিল না। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মূলত লাচুং এলাকা এবং গ্যাংটক থেকে তার পাচার সাম্রাজ্যের উত্থান। তারপর সেই চক্র ছড়িয়ে পড়ে দিল্লি, শিলিগুড়ি, কলকাতা, কানপুর, হোসাঙ্গাবাদ হয়ে নেপাল, তিব্বত এবং ভুটানে। 

  • সর্বশেষ