শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৮ দুপুর
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাবরি ধ্বংসের ‘প্রথম শাবলধারী’ বলবীর সিং আর নেই, লাশ উদ্ধার, মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য!

বাবরি মসজিদ ভাঙায় অংশ নিয়ে পরবর্তীতে ইসলাম গ্রহণ করা নওমুসলিম মুহাম্মাদ আমের—সাবেক শিবসেনা কর্মী বলবীর সিং—সন্দেহজনকভাবে মারা গেছেন। ২৩ জুলাই ভারতের তেলাঙ্গানা প্রদেশের হায়দারাবাদে তাঁর ভাড়া বাসা থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করলে স্থানীয়দের খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাসা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। পরিবারের পক্ষ থেকে সন্দেহজনক মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেলে তারা তদন্ত শুরু করবে।

advertisement

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনায় প্রথম শাবল চালানো ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন বলবীর সিং। সেই সময় তিনি শিবসেনা কর্মী হিসেবে দলীয় সহকর্মী যোগেন্দ্রপালের সঙ্গে অভিযানে অংশ নেন। ঘটনার পর বলবীরের পরিবার তাকে প্রত্যাখ্যান করে; তাঁর বাবা দৌলতরাম ছেলেকে বাড়িতে প্রবেশ করতে দেননি। ছেলে মসজিদ ভাঙায় জড়িত থাকায় শোকেই তিনি কিছুদিনের মধ্যে মারা যান বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।

চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো—যে শাবল দিয়ে বলবীর সিং বাবরি মসজিদের ইট ভেঙেছিলেন, সেই দুটি ইট পরে পানিপথের শিবসেনা অফিসে ‘গৌরবের নিদর্শন’ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

advertisement

তবে এর কিছুদিন পরই তার জীবনে বড় পরিবর্তন আসে। ১৯৯৩ সালে প্রখ্যাত দাঈ মাওলানা কালিম সিদ্দীকির কাছে ইসলাম গ্রহণ করেন বলবীর সিং। ইসলাম গ্রহণের পর তাঁর নাম রাখা হয় মুহাম্মাদ আমের। এরপর প্রায় ২৪ বছর (২০১৭ সাল পর্যন্ত) তিনি উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভেঙে পড়া বা পরিত্যক্ত প্রায় একশ’টি মসজিদ নিজ হাতে সংস্কার করেন—যা তাঁর ‘অনুতাপের প্রতীক’ হিসেবে ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল।

একসময় বাবরি ধ্বংসে অংশ নেওয়া এই ব্যক্তি পরবর্তীতে ইসলামের শান্তির বার্তা প্রচারে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োজিত করেন। তবে তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয় মহলে।

advertisement

সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ