শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০১:১০ রাত
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সংকটে খামেনির জীবন, হত্যার ভয়ংকর ফন্দি আঁটছে শত্রুপক্ষ!

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার জন্য আবারও ভয়ংকর পরিকল্পনা তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল এবং তাদের মদদপুষ্ট শত্রুপক্ষ। এমন চাঞ্চল্যকর এক তথ্যই সামনে এনেছে ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়।

এমনকি এসব প্রচেষ্টার মাধ্যমে ইরানকে পুরোপুরি অস্থিতিশীল করারও চেষ্টা চলছে বলে সতর্ক করেছে তারা। খবর জিও নিউজের।

advertisement

শনিবার (২২ নভেম্বর) ইরানের বার্তাসংস্থা আইএসএনএ জানায়, গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খাতিব বলেছেন, শত্রুদের এবারের লক্ষ্য ইরানের পুরো শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করা। কখনও হত্যাচেষ্টার মাধ্যমে, কখনও সরাসরি হামলার মাধ্যমে সর্বোচ্চ নেতাকে টার্গেট করতে চায় তারা।

গোয়েন্দামন্ত্রী ঠিক কোনও নির্দিষ্ট ঘটনার কথা বলছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও ইরানি কর্মকর্তারা প্রায়ই বিদেশি ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন, তবে খামেনেয়ির বিরুদ্ধে সরাসরি হামলার হুমকি সম্পর্কিত মন্তব্য অতীতে খুব কমই শোনা গিয়েছিল, বিশেষ করে চলতি বছরের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধের আগে।

advertisement

খাতিব আরও বলেন, যারা এ ধরনের কাজে জড়িত, তারা শত্রুর মদদপুষ্ট অনুপ্রবেশকারী। এসময় তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন।

চলতি বছরের জুনে ১২ দিনের সংঘাত চলাকালে ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা, পরমাণু বিজ্ঞানী, বিভিন্ন স্থাপনা ও আবাসিক এলাকাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েল। পরে যুক্তরাষ্ট্রও মূল পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে এতে যোগ দেয়।

advertisement

যুদ্ধ চলার সময় গণমাধ্যমে খবর আসে— ইসরায়েল ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাতে আপত্তি করেন। কারণ, এতে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ আরও তীব্র আকার নিতে পারত। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিষয়টি গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দেন, তবে বলেন- এ ধরনের পদক্ষেপ সংঘাতের অবসান ঘটাতে পারত।

সেই সময় ট্রাম্পও মন্তব্য করেছিলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা কর ‘খুব সহজ’, তবে ‘অন্তত এখনই তাকে হত্যা করা হবে না’। পরে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে ‘ভয়াবহ ও লজ্জাজনক মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছেন।’

৮৬ বছর বয়সী খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং রাষ্ট্রীয় সব সিদ্ধান্তে তার চূড়ান্ত মতামতই প্রাধান্য পায়।

চলতি মাসের শুরুতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেন, যুদ্ধ চলাকালে তিনি বিশেষভাবে খামেনির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং আশঙ্কা করেছিলেন, সর্বোচ্চ নেতার কিছু হলে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের মধ্যে সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।

এর আগে, চলতি বছরের জুলাইয়ে খামেনি বলেন, যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েলের হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে দুর্বল করা, দেশে অস্থিরতা তৈরি করা এবং জনগণকে রাস্তায় নামিয়ে বিদ্যমান শাসন ব্যবস্থাকে উচ্ছেদ করা।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে গত ২৪ জুন থেকে যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে, তেহরান আবার পারমাণবিক কর্মসূচি শুরু করলে নতুন হামলা চালানো হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।

 

 

  • সর্বশেষ