শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:২৬ দুপুর
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৮৭ বছর বয়সেও স্কুটি চালিয়ে বেড়াচ্ছেন মন্দাকিনী শাহ

বয়স যে শুধুই একটি সংখ্যা, আবারো তার প্রমাণ দিলেন তিনি। ৮৭ বছর বয়সেও স্কুটি নিয়ে রাস্তায় দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। বলছিলাম ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদের বাসিন্দা মন্দাকিনী শাহের কথা। এই বয়সেও তিনি বোনকে নিয়ে আহমেদাবাদের সড়কে স্কুটি চালিয়ে বেড়ান।

সম্প্রতি দুই বোনের স্কুটি চালিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হয়। এই বয়সেও স্কুটি চালিয়ে চলাফেরা করা মন্দাকিনী দেশের বহু মানুষের হৃদয় জয় করে নিয়েছেন।

advertisement

এই বৃদ্ধা হিউম্যানস অব বোম্বেকে জার্নান, তিনি ছোট বোন উষাকে খুবই ভালোবাসেন। উষাকে সঙ্গে নিয়ে নিজের বিশ্বস্ত স্কুটিতে চড়ে অভিযানে বেরিয়ে পড়া তার জন্য দারুণ আনন্দের কাজ।

লোকজন যখন মন্দাকিনীকে প্রশ্ন করেন, ৮৭ বছর বয়সে এসেও তিনি কেন স্কুটি চালাচ্ছেন? তিনি খুব সাধারণভাবে জবাব দেন, ‘ কেন নয়?’

advertisement

মন্দাকিনী আরও বলেন, তিনি ৬২ বছর বয়সে স্কুটি চালানো শিখেছেন। তার কাছে নিজের স্বাধীনতা সব সময়ই মূল্যবান।

ছয় ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় হওয়ায় খুব কম বয়সেই মন্দাকিনীকে পরিবারের অনেক দায়িত্বই কাঁধে তুলে নিতে হয়েছে। তার বাবা স্বাধীনতাসংগ্রামী ছিলেন। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর একটি ব্যবসা দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছিলেন মন্দাকিনীর বাবা, পুঁজির অভাবে ব্যর্থ হন। তাই টাকাপয়সার টানাটানি সব সময়ই ছিল।

advertisement

মন্দাকিনী তার মাকে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করতে দেখেছেন। সেটা দেখেই তিনি আত্মবিশ্বাসের গুরুত্ব এবং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারেন।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে মন্দাকিনী বাল মন্দিরে শিশুদের শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন, যদিও সে সময় তিনি ইংরেজিতে বেশ দুর্বল ছিলেন।

তারপর এই নারী সমাজকল্যাণমূলক নানা প্রকল্পে কাজ শুরু করেন। কাজের সূত্রে তিনি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মেশার এবং তাদের খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন।

এ কাজে মন্দাকিনী সারা দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন। এ জন্য একে একে তিনি স্কুটির মতো দেখতে হালকা যান ( মোপেড) চালানো শিখেছেন। তারপর জিপ চালানো এবং শেষ পর্যন্ত ৬২ বছর বয়সে এসে একটি সেকেন্ড হ্যান্ড স্কুটি কিনে সেটি চালানো শুরু করেন।

মন্দাকিনীর জীবনযাপনের সরল নীতি হলো স্বাধীনভাবে বাঁচা। মন্দাকিনী বিয়ে করেননি। কেন তিনি বিয়ে করছেন না, বহু বছর মানুষ তাকে এ প্রশ্ন করেছেন।

এমনকি কেউ কেউ মনে করতেন, তিনি বিধবা। ওই সব মানুষ স্বামী ছাড়া একজন নারীকে অসম্পূর্ণ মনে করেন। কিন্তু মন্দাকিনীর কাছে জীবন প্রতিদিনই নতুন করে ধরা দেয়। একবার তিনি বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু জীবন তাকে ভিন্ন পথ দেখিয়েছে এবং তিনি সেই পথ অনুসরণ করে চলছেন।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

  • সর্বশেষ