শিরোনাম
◈ ককটেল বিস্ফোরণ: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি ◈ সরকারি চাকরিতে মামলা চললে পদোন্নতি নয়, দণ্ড শেষেও দুই বছর অপেক্ষা ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৬৫ ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে মোদি অনুপস্থিত কেন, ভারতের কূটনীতিতে কী বার্তা? ◈ নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের ওয়াকআউট ◈ নভেম্বরের মাঝামাঝি হতে পারে এইচএসসির ফল প্রকাশ  ◈ মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ◈ দেশের সব ইউনিয়নের হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ সরকারের ◈ জরুরি নির্দেশনা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারীদের জন্য ◈ গোল ক‌রে বন্দুক উদযাপনে লাল কার্ড, খেসারত দিলেন ইসরায়েলি ফরোয়ার্ড

প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:২৮ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাগরে বার্তা ভাসিয়ে প্রেমের খোঁজ; উত্তরে যা আসলো

সাগরের ঢেউয়ে বোতল ভাসিয়ে রোমান্টিক বার্তা পাঠানোর শখ ছিল যুক্তরাজ্যের ইস্ট সাসেক্সের ৫৮ বছর বয়সী বাসিন্দা লোরেইন ফোর্বস-এর। বছরের পর বছর ধরে তিনি এইভাবেই মনের মানুষের সন্ধান করছিলেন। যদিও তার কিছু চিঠি নেদারল্যান্ডস বা ফ্রান্সের তীরে পৌঁছেছে এবং উত্তরও এসেছিল, তবুও কাঙ্ক্ষিত প্রেম মেলেনি।

তবে সম্প্রতি তার ঠিকানায় যে সাড়াটি এসেছে, তা কোনো প্রেমিকের কাছ থেকে নয়—বরং একজন ক্ষুব্ধ পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাছ থেকে। সেই উত্তরে ভালোবাসার বদলে ছিল তিরস্কার আর সমুদ্রে আবর্জনা না ফেলার কড়া পরামর্শ।

একদিন লোরেইন ডাকে একটি বাক্স পান। পার্সেলটি গ্রহণ করতে তাকে ৭ পাউন্ড (প্রায় ১,০০০ টাকা) খরচ করতে হয়। বাক্সটি খোলার পর তিনি দেখেন, ভেতরে রয়েছে তারই ফেলে আসা একটি বোতল, কয়েকটি পাথর এবং একটি ছোট্ট চিঠি।

ক্ষুব্ধ হাতের লেখায় চিঠিতে লেখা ছিল, "দয়া করে সমুদ্রে আবর্জনা ফেলা বন্ধ করুন। আপনার ফেলা বোতল এক দিন পরেই পেভেনসি বে বা নরম্যান্স বে-র সৈকতে ফিরে আসে। ধন্যবাদান্তে, একজন বর্জ্য সংগ্রাহক।"

advertisement

অর্থ খরচ করে এমন তিরস্কারপত্র পেয়ে লোরেইন নিজেকে বেশ অপমানিত বোধ করেছেন। তিনি বলেন, “আমি অনেক বছর ধরে চিঠি পাঠাচ্ছি। আমি শুধু পুরোনো দিনের মতো একটু রোমান্স চেয়েছিলাম। কিন্তু যিনি এটা ফেরত পাঠিয়েছেন, তিনি একজন বেরসিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী। আমার মতে, কাজটা খুবই বাজে হয়েছে। তারা হয়তো আমাকে একটা শিক্ষা দিতে চেয়েছিল।”

চিঠিতে প্রেরকের কোনো নাম-পরিচয় ছিল না। লোরেইন রসিকতা করে বলেন, “যদি প্রেরকের নাম জানতাম, আমি অবশ্যই আমার ৭ পাউন্ড ফেরত চাইতাম।”

তিনি সাধারণত ইস্টবোর্ন পিয়ার থেকে প্লাস্টিকের বোতলে বার্তা ভরে সমুদ্রে ভাসিয়ে দিতেন, যাতে সেগুলো সহজে ভেঙে না যায়। লোরেইন স্বীকার করেছেন যে, তার এই শখের কারণে পরিবেশের ক্ষতি হতে পারে বলে অতীতেও তাকে সতর্ক করা হয়েছিল। তবে এবারের ঘটনার পর তার নতুন ভয়—বোতলে নাম-ঠিকানা থাকায় পরিবেশ স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পারলে তিনি আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন।

অবশ্য সাগরে বোতলে বার্তা ভাসানোর সব অভিজ্ঞতাই যে এমন তিক্ত হয়, তা নয়। গত সেপ্টেম্বরেই যুক্তরাজ্যের এক তরুণের পাঠানো বোতলের চিঠি ৪ হাজার ২০০ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের সেন্ট লুসিয়ায় পৌঁছেছিল এবং সেটির একটি সুন্দর উত্তরও এসেছিল।

  • সর্বশেষ