শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রে নিঝুম মজুমদারকে হেনস্তা করে যুক্তরাষ্ট্র যুবদল, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সামনে (ভিডিও) ◈ প্রধানমন্ত্রীর দেখা না পেয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের ওপর ক্ষু'ব্ধ নেতাকর্মীরা, হেনস্তার চেষ্টা (ভিডিও) ◈ উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন ৮ ইউএনও ◈ কুমিল্লায় সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আটক ◈ বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনা সারাদেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে ◈ মোহাম্মদপুরে কয়েকশ’ লোকের হামলা-ভাঙচুর, ১৫ লাখ টাকা ও জমির দলিল লুটের অভিযোগ ◈ টিকটক পরিচয়ে কুমিল্লায় দেখা করতে গিয়ে কিশোরী ধর্ষণের শিকার, অভিযুক্ত পলাতক ◈ গাইবান্ধায় যেভাবে কণ্ঠ নকল করে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার ফাঁদ পাতেন প্রতারক (ভিডিও) ◈ যুক্তরাজ্যে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি, আগস্টে প্রবৃদ্ধি ১০.৫৩%

প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০২:০৩ দুপুর
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০২:১৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হিজাব পরতে বা খুলতে বাধ্য করলেই প্রতিবাদ করব: মালালা

মালালা ইউসুফজাই

ডেস্ক রিপোর্ট: সঠিক নিয়মে হিজাব না পরার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় মাশা আমিনি নামে এক তরুণীর মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়েছেন নোবেল বিজয়ী পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত মালালা ইউসুফজাই। ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন, একজন নারী কী ধরনের পোশাক পরবেন বা পরবেন না সে ব্যাপারে তার নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি আগেই বলেছি, যদি কেউ আমাকে আমার মাথা ঢেকে রাখতে বাধ্য করে, আমি প্রতিবাদ করব। আবার যদি কেউ আমাকে আমার স্কার্ফ খুলতে বাধ্য করে, তাহলেও আমি প্রতিবাদ করব।

ভারতের কর্ণাটকে হিজাব বিতর্কের সময়ও জোরপূর্বক হিজাব পরতে না দেওয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন মালালা। তখনও তিনি বলেছিলেন, মেয়েদেরকে জোর করে হিজাব পরে স্কুলে যেতে দিতে অস্বীকার করা ভয়ঙ্কর। হিজাব পরা নিয়ে নারীদের মধ্যে কম-বেশি আপত্তি আছে। তবুও ভারতীয় নেতাদের অবশ্যই মুসলিম নারীদের প্রতি এই ঘটনা বন্ধ করতে হবে।

মাথায় হিজাব না থাকায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানী তেহরানে ইরানের নৈতিকতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন মাশা আমিনি নামের ২২ বছরের এক তরুণী। গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ৩ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাশার। সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়াই তার মৃত্যুর কারণ; তবে বিক্ষোভকারী, মাশার পরিবার ও স্বজনদের অভিযোগ- মাথায় গুরুতর আঘাত করার পরই অজ্ঞান হয়ে কোমায় চলে যান মাশা এবং ওই আঘাতের জেরেই তার মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুর খবর প্রচারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল কুর্দিস্তানে। পরে দ্রুততার সঙ্গে অন্যান্য শহরেও ছড়িয়ে পড়ে সেই বিক্ষোভ। আইএইচআরের তথ্য অনুযায়ী, ইসফাহান, মাশহাদ, শিরাজ, তাবরিজসহ ইরানের অন্তত ৮০টি শহরে বর্তমানে বিক্ষোভ চলছে। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি- মাশা আমিনির মৃত্যুর জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা এবং নারীদের কঠোর পোষাকনীতি ও নৈতিক পুলিশ বাতিল করা।

হিজাব আইন আরও কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য চলতি বছরের ৫ জুলাই ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি একটি আদেশ জারি করেন। এর মাধ্যমে ‘সঠিক নিয়মে’এবং ইসলামি পোশাক না পরা নারীদের সরকারি সব অফিস, ব্যাংক এবং গণপরিবহনে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়।

  • সর্বশেষ