স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছে। সুযোগ লুফে নিয়ে ইতিহাসই গড়ে ফেলল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। পুরো ম্যাচে দাপট দেখিয়ে পেয়ে গেলো রেকর্ড গড়া এক জয়। দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যামেরন গ্রিনের দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরির পরও বাংলাদেশের জন্য লক্ষ্যটা ৫৭ রানের বেশি দিতে পারেনি অজিরা। ছোট লক্ষ্যে ডারউইনে ৯ উইকেটের বড় জয়ে ম্যাচটা নিজেদের করে নিলো টাইগাররা।
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার করা ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশ করে ৪২৬ রান। ২২৮ রানে পিছিয়ে থাকা অজিরা ২০৭ রানে ৭ উইকেট হারালেও ক্যামেরন গ্রিনের ১০৪ রানের ইনিংসে ভর করে স্কোরবোর্ডে তোলে ২৮৪ রান। -- ডেইলি ক্রিকেট
৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। গ্রিন ৪৩ ও অ্যালেক্স ক্যারি ১৯ রানে ছিলেন অপরাজিত।
মিরাজের বলে আউট হয়ে ক্যারি ফেরেন ৩০ রানে। এরপর অন্য পাশে টেইল এন্ডারদের নিয়ে ঠিকই নিজের সেঞ্চুরির সাথে দলকেও এগিয়ে নেন গ্রিন। ২০১ বলে ১০৪ রান করে আউট হয়েছেন হাসান মাহমুদের বলে।
বাকিদেরও স্বস্তিতে থাকতে দেননি মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদরা। আর তাতে ২৮৪ তেই থামতে হয় স্বাগতিকদের।
প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটের সাথে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট শিকার হাসান মাহমুদের। ৬৬ রানে ৫ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সেরা বোলার মিরাজ।
৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আগের ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকানো তানজিদ তামিমকে খালি হাতে ফেরান জশ হ্যাজেলউড। তবে মুমিনুল হককে নিয়ে বাকি কাজটা অনায়েসেই করেছেন সদমান ইসলাম। সাদমান ২৫ ও মুমিনুল অপরাজিত ছিলেন ৩০ রানে।
এর আগে হাসান মাহমুদের তোপে প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। তানজিদ হাসান তামিমের ১০১, নাজমুল হোসেন শান্তর ৮৪, মিরাজের ৬৫, মুমিনুল হকের ৪৯ রানে ভর করে বাংলাদেশ পায় প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানের সংগ্রহ।