শিরোনাম
◈ মালয়েশিয়া যাত্রাকালে বিমানে যাত্রীদের সঙ্গে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ সিজেপি’র এক মাস: ‘আমাদের কথা শুনছে মানুষ’ ◈ বজ্রপাতে তিন মাদ্রাসাশিক্ষার্থীসহ সারাদেশে নিহত ১১ ◈ প্রবাসীদের আইন মেনে চলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, বন্দিদের মুক্তিতে কূটনৈতিক তৎপরতার আশ্বাস ◈ নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপিপুত্র ও যুবদল নেতা সজীব ডিএমপির ডিবি হেফাজতে ◈ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিজেপির জয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ◈ মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, কুয়ালালামপুরে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা শুরু ◈ ডিগ্রি আছে, চাকরি নেই: বাংলাদেশে কেন বাড়ছে শিক্ষিত বেকার ◈ কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশির

প্রকাশিত : ২২ জুন, ২০২৬, ১২:০৬ রাত
আপডেট : ২২ জুন, ২০২৬, ০১:০২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সব রেকর্ড ভাঙার পথে ২০২৬ বিশ্বকাপ, আয় হতে পারে ৮.৯ বিলিয়ন ডলার

মাঠজুড়ে ছোটাছুটি, ড্রিবলিং, গোল, উল্লাস আর উত্তেজনায় ভরা ফুটবল বিশ্বকাপ। কিন্তু মাঠের ৯০ মিনিটের বাইরেও এই আসরের আরেকটি বিশাল পরিচয় রয়েছে—এটি বৈশ্বিক ক্রীড়া অর্থনীতির সবচেয়ে বড় আয়োজন।

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের এই আয়োজনকে ঘিরে আলোচনা তাই শুধু মাঠের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই। টুর্নামেন্টের বিস্তৃতি, দর্শকসংখ্যা, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা এবং অর্থনৈতিক প্রভাব—সব মিলিয়ে এটি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে লাভজনক বিশ্বকাপে পরিণত হওয়ার পথে।

প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে শুরু হয়েছে এই বিশ্বকাপ। ম্যাচ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০৪।

আর আয়োজক দেশের সংখ্যাও তিন—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। 
ফলে খেলার বাইরে সম্প্রচার স্বত্ব, টিকিট বিক্রি, স্পনসরশিপ, পর্যটন ও ভোগব্যয়—সবখানেই তৈরি হয়েছে নতুন রেকর্ডের সম্ভাবনা।

ফিফার হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বের মানুষ প্রায় ১৩ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকার সমান। এই বিশ্বকাপ বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলারের (প্রায় ১০ লাখ কোটি টাকা) অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) যোগ হবে ৪০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকা)।

ফিফার প্রকাশিত ২০১৯-২০২২ অর্থনৈতিক চক্রের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপকেন্দ্রিক সংস্থাটির মোট আয় ছিল ৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৮ সালের তুলনায় ২৪ শতাংশ বেশি।

এই আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস ছিল টেলিভিশন সম্প্রচার স্বত্ব। এরপর ছিল বিপণন স্বত্ব, আতিথেয়তা ও টিকিট বিক্রি, লাইসেন্সিং এবং অন্যান্য আয়।

একই সময়ে ফিফার মোট ব্যয় ছিল ৩ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৫৯ শতাংশ ব্যয় করা হয় কাতার বিশ্বকাপ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য।

সব ব্যয় মিটিয়ে ২০২২ সালে ফিফার নিট মুনাফা দাঁড়ায় ২ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ২৯ হাজার ১০০ কোটি টাকা)।

তবে কাতারের থেকে এবার বেশি আয় হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কারণ ২০২৬ বিশ্বকাপে দল ও ম্যাচ সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আয় অন্তত ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে। 

বাণিজ্য বিষয়ক প্রখ্যাত সাময়িকী ফরচুনের এক প্রতিবেদন অনুসারে, এবারের বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয় হতে পারে প্রায় ৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা)।

সমীকরণটা সহজ— বেশি দল, বেশি ম্যাচ, বেশি দর্শক—মানেই বেশি আয়।

বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক প্রভাব দেখা যাবে পর্যটন খাতে। ফিফার প্রাক্কলন অনুযায়ী, প্রায় ৬৫ লাখ দর্শক বিভিন্ন দেশ থেকে বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো সফর করবেন।

এই খেলাকে কেন্দ্র করে পর্যটকরা প্রায় ৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে। এই ব্যয়ের মধ্যে থাকবে বিমান ভাড়া, হোটেল, রেস্তোরাঁ, স্থানীয় পরিবহন, পোশাক, স্মারকপণ্য এবং অন্যান্য কেনাকাটার খরচ।

ফলে হোটেল, পরিবহন, খুচরা বিক্রয় ও বিনোদন খাতে কয়েক বিলিয়ন ডলারের নতুন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, শুধু পর্যটন খাত থেকেই আয়োজক দেশগুলো বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে।

৮ লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান
ফিফার পূর্বাভাস অনুসারে, ২০২৬ বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮ লাখ ২৪ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার মানুষের। বাকি ৬ লাখ ৩৯ হাজার কর্মসংস্থান হচ্ছে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে।

সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে আতিথেয়তা ও হোটেল খাতে। এই খাতে প্রায় ৩২ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ পাচ্ছে।

এছাড়া বিমান পরিবহন খাতে প্রায় ২০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

পাশাপাশি খুচরা বিক্রয়, পাইকারি ব্যবসা, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, কৃষি এবং সাপ্লাই চেইন খাতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

৮০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) এবং ফিফার যৌথ গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ৮০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করতে পারে।

নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মায়ামিসহ ১৬টি আয়োজক শহরের মধ্যে ১১টিই যুক্তরাষ্ট্রে হওয়ায় দেশটির অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি।

ফিফার আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হতে যাচ্ছে সম্প্রচার স্বত্ব। বিশ্বের বিভিন্ন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এবং স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ম্যাচ সম্প্রচারের স্বত্ব কিনতে ৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কোটি কোটি মানুষ এই টুর্নামেন্ট সরাসরি অনুসরণ করেন। আর সেই দর্শকের মনোযোগই সম্প্রচার বাজারে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।

স্পনসরশিপ আয়ও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। অফিসিয়াল পার্টনার, আঞ্চলিক স্পনসর, ডিজিটাল প্রচারণা এবং ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম মিলিয়ে স্পনসরশিপ আয় ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বিশ্বকাপ মানেই যেন বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী। পুমা, অ্যাডিডাস, নাইকি থেকে শুরু করে প্রযুক্তি, ব্যাংকিং, ভোক্তাপণ্য ও টেলিযোগাযোগ খাতের বহু প্রতিষ্ঠান বিশ্বকাপের আলোয় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চায়।

টিকিট বিক্রিতেও নতুন রেকর্ডের সম্ভাবনা রয়েছে। ১০৪ ম্যাচের এই বিশ্বকাপে টিকিট বিক্রিও পৌঁছাতে পারে নতুন উচ্চতায়। প্রাক্কলন অনুযায়ী, ৬০ লাখের বেশি টিকিট বিক্রি হতে পারে।

পাশাপাশি ভিআইপি আতিথেয়তা প্যাকেজ, করপোরেট বক্স এবং বিশেষ সেবাগুলো থেকেও আসবে উল্লেখযোগ্য আয়।

দলের জার্সি, অফিসিয়াল বল, স্মারকপণ্য এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত অন্যান্য পণ্য বিক্রিও রাজস্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফিফার এত আয়ের নেপথ্যে
গত ১৯ জুন প্রকাশিত ফরচুনের প্রতিবেদন বলছে, আগে বিশ্বকাপের ইতিহাসের অধিকাংশ সময় টুর্নামেন্ট পরিচালিত হতো স্থানীয় আয়োজক কমিটির মাধ্যমে। তারা আয়োজনের ব্যয় বহন করত এবং আয় থেকেও অংশ পেত। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো সেই ব্যবস্থা বদলেছে। এবার ফিফা নিজেই সরাসরি টুর্নামেন্ট পরিচালনা করছে এবং জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনের পরিবর্তে সরাসরি আয়োজক শহরগুলোর সঙ্গে কাজ করছে।

এই ব্যবস্থায় সম্প্রচারস্বত্ব, স্পন্সরশিপ, টিকিট বিক্রি, আতিথেয়তা সেবা (হসপিটালিটি) এবং পণ্য বিক্রিসহ প্রায় সব ধরনের আয় ফিফার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। অন্যদিকে, আয়োজনসংক্রান্ত ব্যয়ের বড় অংশ বহন করবে যেসব শহর ও অঙ্গরাজ্য বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করছে। ফলে এটি এক ধরনের ‘ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেল’-এ পরিণত হয়েছে, যেখানে ফ্র্যাঞ্চাইজি পরিচালনাকারীরা খরচ বহন করে, আর মূল প্রতিষ্ঠান অধিকাংশ আয় নিজেদের কাছে রাখে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ২০১৬ সালে ফিফা সভাপতির পদে নির্বাচনী প্রচারণার সময় জিয়ান্নি ইনফান্তিনো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি সংস্থাটির আয় চার গুণ বাড়াবেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের পর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে রয়েছেন তিনি।

কেন সব রেকর্ড ভাঙতে পারে ২০২৬ বিশ্বকাপ?
ফুটবল ইতিহাসে এর আগে কখনও এত বড় বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি। ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮ দল, ৬৪ ম্যাচের পরিবর্তে ১০৪ ম্যাচ, তিন দেশের যৌথ আয়োজন এবং উত্তর আমেরিকার বিশাল বাণিজ্যিক বাজার—সব মিলিয়ে এই বিশ্বকাপকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এক নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতা।

এখন শুধু দর্শক নয়, অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যাও বেড়েছে। ফলে আরও বেশি দেশ থেকে সমর্থকরা ভ্রমণ করবেন, ব্যয় করবেন এবং বিশ্বকাপ অর্থনীতির অংশ হয়ে উঠবেন।

স্বাগতিক দেশগুলোও দ্বিমুখী সুবিধা পাচ্ছে—তারা যেমন আয়োজক হিসেবে অর্থনৈতিক সুফল ভোগ করবে, তেমনি নিজেদের জাতীয় দলগুলোর অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাড়তি দর্শক ও বাণিজ্যিক সুবিধাও পাবে।

ব্যয়ও কম নয়
অবশ্য এই বিশাল আয়োজনের পেছনে ব্যয়ের অঙ্কও কম নয়। নিরাপত্তা, পরিবহন, স্টেডিয়াম পরিচালনা, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, সম্প্রচার সুবিধা এবং লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে।

ফিফার নিজস্ব ব্যয়ই প্রায় ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবু আয়-ব্যয়ের হিসাব বলছে, সবকিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুধু মাঠের সাফল্যের জন্য নয়, অর্থনৈতিক প্রভাবের দিক থেকেও ইতিহাসের সবচেয়ে সফল বিশ্বকাপ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকতে পারে।

কারণ ৩৯ দিনের এই ফুটবল উৎসবের প্রতিটি গোলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি, লাখো মানুষের কর্মসংস্থান এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের নতুন এক অধ্যায়।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বিশ্বকাপের হাওয়া
ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বরাবরের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। জার্সি, সমর্থিত দলের পতাকা, ফুটবল, খেলা দেখার জন্য প্রজেক্টর, টেলিভিশন, স্ন্যাকসসহ নানা পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্বকাপ মৌসুমে এসব পণ্যের বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে পায়, যা বাজারে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করে।

এর মধ্যে জার্সি, দলের পতাকা বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, পর্তুগাল, ফ্রান্স, স্পেন ও জার্মানির জার্সির চাহিদা লক্ষণীয়। রাজধানীর অভিজাত বিভিন্ন মার্কেটের পাশাপাশি ফুটপাতেও উল্লেখযোগ্যহারে জার্সি বিক্রি চোখে পড়ে। 

বাংলাদেশ স্পোর্টস অ্যাকসেসরিজ মার্চেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্কলন অনুযায়ী, দেশের ক্রীড়া সামগ্রীর বাজারের মূল্য দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কোটি টাকার মধ্যে।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপ ঘিরে বড় পর্দার স্মার্ট টেলিভিশনের চাহিদাও বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই মৌসুমে দেশের টিভি বাজারের আকার প্রায় এক হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি রাত জেগে খেলা দেখার সংস্কৃতির কারণে চা, বিস্কুট ও বিভিন্ন স্ন্যাকসজাত পণ্যের বিক্রিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ বাংলাদেশে একটি উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি করেছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়