শিরোনাম
◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ◈ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর যে জরুরি নির্দেশনা ◈ ভিনিসিউসের চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, এল ক্লাসিকোয় খেলতে পারবেন না ◈ বাংলাদেশের ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না, কাজে লাগানোর আহ্বান নৌমন্ত্রীর ◈ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে শর্ত পূরণে রাজি বাংলাদেশ, যেসব বিষয়ে চলছে আলোচনা ◈ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ঠিকাদারের হুমকি ‘এক থাপ্পড়ে ঠিক করে দেব’, জবাবে প্রকল্প পরিচালক বলেন ‘আমিও ছাত্রদলের নেতা ছিলাম' ◈ বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে কেন ভারত ছাড়তে বলা হলো, যা বললেন বিজেপির কিরিট সোমাইয়া ◈ প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারে ০.৫% রিবেট দিচ্ছে সরকার, বিল সাশ্রয়ে যেসব সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা

প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:০১ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে ভারতীয় রুপির বিপরীতে

আজিজুল হক, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি:  দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর ভারতীয় রুপির বিপরীতে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি টাকা। বর্তমানে বাংলাদেশি ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৭৯ ভারতীয় রুপি, যা মাত্র কয়েক  আগেও ছিল মাত্র ৭৩ রুপি। একইভাবে আগে ১০০ রুপি কিনতে যেখানে প্রায় ১৪০ টাকা খরচ হতো, এখন লাগছে মাত্র ১২৩ টাকা।

মুদ্রা বিনিময় হারের এই পরিবর্তনে সীমান্ত বাণিজ্য, আমদানি কার্যক্রম এবং ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, ভারত ভ্রমণের ক্ষেত্রে একজন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীকে যাত্রার আগেই বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করতে হয়। ভারতীয় দূতাবাসের ভিসা ফি ১ হাজার ৫৫০ টাকা, বন্দর চার্জ ৪০০ রুপি, বাংলাদেশ সরকারের ভ্রমণ কর ১ হাজার টাকা এবং বন্দর ফি ৬৫ টাকা পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া ভিসার সিরিয়াল সংগ্রহ ও যাতায়াত ব্যয়ও রয়েছে।

ফলে রুপির উচ্চমূল্যের কারণে এতদিন ভারত ভ্রমণ অনেকের জন্য ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছিল। শুধু ভ্রমণ নয়, রুপির দাম বাড়ার কারণে ভারত থেকে পণ্য আমদানিতেও অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছিল ব্যবসায়ীদের। এতে অনেক আমদানিকারক ক্ষতির আশঙ্কায় ব্যবসা সীমিত করে ফেলেছিলেন।

Advertisement

তবে সম্প্রতি ভারতের নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে হঠাৎ করেই বাংলাদেশি টাকার মান বাড়তে শুরু করে। গত তিন দিনের ব্যবধানে রুপির বিপরীতে টাকার মান আরও শক্তিশালী হয়েছে। এতে ভ্রমণকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দর ব্যবহারকারী পাসপোর্টধারী রাশেদুজ্জামান জানান, টাকার মান বাড়ায় ভারত ভ্রমণের খরচ কিছুটা কমবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির বিষয়।

বেনাপোল আমদানি,রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, বাংলাদেশি টাকার মান শক্তিশালী হওয়ায় ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে ব্যয় কমবে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন বলেন, দীর্ঘ ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি টাকার মান সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও যাত্রী চলাচল আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করছি।

বেনাপোল বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৬ জুন) বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১ হাজার ৮৩৬ জন দেশি-বিদেশি পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছেন। একই দিনে ৩৪৫টি ট্রাকে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহন হয়েছে।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম জানান, ব্যবসায়ী ও ভ্রমণকারীদের প্রত্যাশা, বাংলাদেশি টাকার এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকলে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে এবং সীমান্ত অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

  • সর্বশেষ