শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ০১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫০ বিকাল
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিরলে বৈরি আবহাওয়ায় উঠতি আমন ধানের ব্যপক ক্ষতি, জনজীবন ব্যহত

এম, এ কুদ্দুস, বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরলে বৈরি আবহাওয়ায় উঠতি আমন ধানের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। ৩ দিনের টানা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ও ঝড়-হাওয়ার কারণে জনজীবনে দেখা দিয়েছে বিপর্যয়।

গত ৩ দিনের টানা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ও দমকাসহ ঝড়-হাওয়ায় এ উপজেলায় প্রায় উঠতি আমন ধানের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। উঠতি ফসল তাই শীষ ভারি হয়ে আসার কারণে অনেক কৃষকের ধানের রোপা পানিতে হেলে পড়ে ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে দানা পুরোপুরি পরিপুষ্ট না হবার কারণে এসব ধান বেশির ভাগই চিটা বা নষ্ট হবার আশংকা দেখা দিয়েছে। আর তা হলে বড় ধরণের ক্ষতিতে পড়বে এ উপজেলার আমন চাষী বা কৃষকরা।

শনিবার সকালে এলাকা পরিদর্শনে গেলে উপজেলার ভান্ডারা ইউপি’র বালান্দোর গ্রামের মৃতঃ আব্দুল এর ছেলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মুক্তারুল ইসলাম কান্নাবিজড়িত কন্ঠে জানান, আমি একজন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক। নিজের আবাদি জমি বেশি না থাকার কারণে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করি। বৈরি আবহাওয়ার কারণে আমার আবাদের বেশির ভাগ ধানগাছ পানিতে হেলে পড়েছে। এতে আমি খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। তাই আমি বিশেষ আঁটি বানিয়ে এসব ধানগাছ পানি থেকে তুলে দাঁড় করে রাখার চেষ্টা করছি। জানিনা কতটুকু সফল হব। এবারের আবাদ নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতাম। ভাবতাম পরিবার পরিজন নিয়ে ভালোভাবে থাকবো। তা আর হলো না। তারমত এমন কথা জানিয়েছেন উপজেলার আরও অনেক কৃষক।

এব্যাপারে বিরল উপজেলা কৃষি অফিসার রুম্মান আক্তারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমন রোপার এই বিষয়টিকে লজিং বা হেলে পড়া বলে। অনেক কৃষকের এমন হয়েছে। বৈরি আবহাওয়ার কারণে এমনটি হয়েছে। তবে রোপা বা ধানগাছ তুলে দাড় করিয়ে হয়তো খুব একটা ব্ষতি হবে না। তার পরেও আমরা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিরুপন করছি। নিরুপন সম্পন্ন হলেই কি পরিমান ক্ষতি হবে বা হয়েছে সেটা জানানো সম্ভব হবে।

  • সর্বশেষ