স্পোর্টস ডেস্ক: সবার হিসাব মিলে কিন্তু আমার হিসাব তো মিলেনা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে লিড নিয়েও শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে হারার পর এমনটাই হয়তো ভাবছে বাংলাদেশ দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে তৈরি করা হয়েছিল স্পিনবান্ধব উইকেট, তাতে ক্যারিবিয়ানরা পা তো দিলই না, উল্টো সেই ফাঁদে পরে নিজেদেরই কপাল পুড়িয়েছে টাইগাররা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৮ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। --- ডেইলি ক্রিকেট
বাংলাদেশের দেয়া মাত্র ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয় পেতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ব্র্যান্ডন কিংয়ের ৮১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে অনায়াসেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ক্যারিবীয়রা।
ক্যাম্পবেল ৪৯ রানে আউট হওয়ার পর তাঁকে দারুণ সঙ্গ দেন কাভেম হজ। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। ফলে ৮ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটো সান্ত্বনার উইকেট পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম এবং হাসান মাহমুদ।
অথচ ম্যাচে প্রথম দিকে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে প্রথম ইনিংসে সাদমানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ২৭২ রান করে স্বাগতিকরা। জবাবে চন্দরপলের ফিফটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে থামে ২৪৫ রানে। ফলে, ২৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ।
কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে সেই লিড কাজে লাগানোর বদলে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকানো সাদমান দ্বিতীয় ইনিংসে করেন মাত্র ১৩ রানে। এদিকে, প্রথম ইনিংসে ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তানজিদ তামিম সাজঘরে ফিরেছেন রানের খাতা না খুলেই। প্রথম ইনিংসে ৪২ করা তাওহীদ হৃদয়ও ফিরেন শূন্যতেই।
ব্যাটিং অর্ডারের এমন ধসের মধ্যে চতুর্থ দিনে একাই লড়ে গেছেন নাঈম হাসান। ৫২ রানের ইনিংস খেলে দলকে টেনে নিয়ে গিয়েছেন শেষ পর্যন্ত। তবে অন্যান্যদের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত ১৪২ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে রোস্টন চেজ ৩৬ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধস নামান। জোমেল ওয়ারিকান নেন চার উইকেট।