শিরোনাম
◈ লাগেজ চুরি ঠেকাতে লাইভ নজরদারি, কতটা স্বস্তিতে যাত্রীরা? ◈ এশিয়া কাপের জন‌্য অনূর্ধ্ব-১৯ স্কোয়াড ঘোষণা করলো বি‌সি‌বি ◈ চারদিনেই ও‌য়েস্ট ইন্ডি‌জের কা‌ছে টেস্ট হারলো বাংলাদেশ ◈ মাজার বস্তিতে যাওয়ার আগে ২৭ অক্টোবর রাতে উত্তরার নেস্ট বারে দেড় ঘণ্টা ছিলেন নারীসহ তাহফিস সাউরি(ভিডিও) ◈ তাহসিফ হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে দীপ, বললেন ‘আমি ফুললি স্ট্রং’ ◈ ১১ দলের লংমার্চে যাননি নাহিদ, জামায়াতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে এনসিপির? ◈ ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদসহ ৭ কর্মকর্তা বরখাস্ত, বাধ্যতামূলক অবসরে ১ ◈ মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার টাকার বেশি নয়, অতিরিক্ত নিলেই কঠোর ব্যবস্থা ◈ ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে মিরপুরে ফের সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ ঢাকায় সাফ ফুটব‌লে অংশ নি‌তে দ্বিতীয় সারির দল ঘোষণা কর‌লো ভারত

প্রকাশিত : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:১৯ বিকাল
আপডেট : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:১৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এইচএসসিতে নবীনগরের দুই কলেজের কেউ পাস করেননি

মো. কামরুল ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠান দুটিতে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকার অভিযোগও উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জানা গেছে, বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন সাতজন শিক্ষার্থী। তাঁদের কেউই পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে জিনদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দুজন শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হননি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠান দুটিতে পাঠদানের জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। তাঁদের প্রশ্ন, পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকলে শিক্ষার্থী ভর্তি করে তাঁদের যথাযথ পাঠদান নিশ্চিত করা হচ্ছে কি না। এতে শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তাঁরা।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯২ হাজার ১৬২ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৪৪ হাজার ২৭২ জন। পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ ছাড়া জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ছাত্রী ৮২১ জন এবং ছাত্র ৪৯২ জন। বোর্ডের অধীন চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। অন্যদিকে ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি।

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, ‘কলেজ দুটির ফলাফল এমন হওয়ার কারণ জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এরপর প্রতিষ্ঠান দুটির গভর্নিংবডি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।’

প্রতিষ্ঠান দুটিতে শিক্ষকসংকটের অভিযোগ এবং ফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

  • সর্বশেষ