শিরোনাম
◈ ডেঙ্গু মোকাবিলায় এবার কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাহায্য চাইলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ◈ বদলে গেলো আবাহনী মাঠের নাম ◈ প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিব হলেন সাইফুল ইসলাম জয় ◈ বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম, দেশে ভরি কত চলছে ◈ সিগারেটের নতুন দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন, কোন সিগারেটের দাম কত? ◈ এইচএসসি শুরুর আগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার সিদ্ধান্ত ◈ রাজধানীর লেক রক্ষায় সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৩৪৩ ◈ যেসব এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না ◈ নতুন শুল্ক ইস্যু: যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া সতর্কবার্তা ভারতের

প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৪২ বিকাল
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:১৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বদলে গেলো আবাহনী মাঠের নাম

বৃহস্পতিবার থেকে বদলে গেছে আবাহনী মাঠের নাম। এখন থেকে মাঠটির নতুন নাম ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ। ঐতিহ্যবাহী আবাহনী ক্লাবের কাছেও থাকছে না মাঠটি। লিজ বাতিল করে সমঝোতা স্বাক্ষরের মাধ্যমে মাঠটি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে তুলে দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এখন থেকে মাঠটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে মাঠটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

একইভাবে ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেডের মাঠের দায়িত্বও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে তুলে দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

advertisement

এরপর সচিবালয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান জানিয়েছেন, ‘মাঠ বাবদ আবাহনী ক্লাবের দুই বছরের ফি বকেয়া আছে। তারা ২০২৩ সালের পর আর ফি দেয়নি। ২০২৪ সালের ফি জমা করার রসিদ দেখা যাচ্ছে, তবে সেটা চুক্তি বাতিল করার পর দেওয়া হয়েছে।’


ধানমন্ডির এই মাঠটি ৯৯ বছরের জন্য আবাহনী ক্লাবকে দেওয়া হয়েছিল। টানা দুই বছর ফি বকেয়া থাকায় সেই চুক্তি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

advertisement

ক্লাবের মাঠ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার পরও আবাহনী ক্লাবের কেউ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এ নিয়ে কথা বলতে চাই না। সরকার যা ভালো মনে করেছে তাই করেছে। এখানে আর কী বলার আছে।’

এদিকে গৃহায়ণ মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের দাবি করেছেন, ‘ধানমন্ডির মাঠে (আবাহনী মাঠ) তারা স্থাপনা তৈরি করেছে, অথচ আমাদের ও রাজউকের কাছ থেকে কোনও অনুমতি নেয়নি।’

advertisement

২০২২ সাল থেকে সেখানে শেখ কামাল ক্রীড়া কমপ্লেক্স তৈরির কাজ চলছে। এর পাশেই খেলোয়াড়দের থাকার জন্য তৈরি করা হয়েছে একটি আবাসিক স্থাপনা।

ধানমন্ডি মাঠের সঙ্গে নিজের খেলাধুলার স্মৃতিচারণ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘ধানমন্ডি মাঠ, যেটি আবাহনী মাঠ নামে পরিচিত, এবং ৮ নম্বরের ধানমন্ডি মাঠ দুটোতেই আমি ট্রেনিং করেছি। দুটো মাঠেই আমি খেলাধুলার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চাই।’

এরপর ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যোগ করেন, ‘১৭ বছর ধরে আবাহনী ও ধানমন্ডি ক্লাবকে যেভাবে রাজনীতিকরণ করা হয়েছে, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর তরুণদের ক্ষোভ আপনারাও দেখেছেন। আমরা মনে করি, দুটো ক্লাবের অনেক ঐতিহ্য আছে, সেগুলো ধরে রাখতে হবে। স্বৈরাচারের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তারা ক্লাবের কেউ নয়। যারা ক্লাবের আসল লোক, তাদের দিয়ে ক্লাব চলবে।’

অনেক দিন ধরে শেখ কামাল ক্রীড়া কমপ্লেক্স তৈরির কাজ থেমে আছে। তবে সেখানে ইতোমধ্যে তৈরি হওয়া অবকাঠামো ভাঙতে চান না ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘অবকাঠামোগুলো ভেঙে ফেলতে চাই না। সেগুলো রেখে কীভাবে সবাইকে নিয়ে সুন্দরভাবে পরিচালনা করা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। চুক্তিটা যে বাতিল হয়েছে, এটাকে মুখ্য করে না দেখে সবাইকে নিয়ে সুন্দরভাবে ক্লাব পরিচালনা করার কথা বলেছি আমি।’

 

  • সর্বশেষ