স্পোর্টস ডেস্ক : আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে ভারত। সেই সিরিজের দল নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে দলে চোট আক্রান্ত ক্রিকেটার থাকায় বিসিসিআইয়ের সমালোচনা করছেন অনেকেই।
তবে এবার সবচেয়ে বড় মন্তব্য বোধহয় ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী কৃষ্ণামাচারি শ্রীকান্ত করলেন। তার মতে, আফগানিস্তানকে ভয় পাচ্ছে ভারত। যার কারণে রশিদ খানদের বিপক্ষে পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে খেলবে তারা।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে জাসপ্রিত বুমরাহ, হার্ষিত রানা, নীতিশ কুমার রেড্ডি ও ওয়াশিংটন সুন্দরকে ফিরিয়েছে বিসিসিআই। তবে সেন্টার অব এক্সেলেন্স থেকে ফিটনেস নিয়ে ছাড়পত্র পেলেই কেবল খেলতে পারবেন তারা। পুরোপুরি ফিট নয়, এমন ক্রিকেটারদের নিয়ে আপত্তি করেছেন শ্রীকান্ত। নির্বাচকদের এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন তিনি। তার মতে, আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ঝুকি নিতে চায় না বোর্ড। যার কারণে পূর্ণ শক্তির দল দিয়েছে আজিত আগারকারের নির্বাচক প্যানেল।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি বলেন, “আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডে সিরিজ হারের পর নির্বাচকরা কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি এবং আফগানিস্তান সিরিজের জন্য পূর্ণ শক্তির দল সাজিয়েছে। তারা সব শক্তি নিয়ে মাঠে নামছে, কিন্তু এটা ভুল সিদ্ধান্ত। আফগানিস্তানের মতো দলের বিপক্ষেই তরুণদের সুযোগ দেওয়া উচিত। অথচ তারা ভয় থেকে পূর্ণশক্তির দল বেছে নিয়েছে।
তিনি যোগ করেন, “আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডে হারের পর এটা মরিয়া সিদ্ধান্ত বলেই মনে হচ্ছে। তবে এই দলটি প্রায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বেছে নেওয়া দলেরই মতো।
বুমরাহ, হার্ষিত, নীতিশ ও ওয়াশিংটনের সামর্থ নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও, তাদের ফিটনেস নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন শ্রীকান্ত। তিনি বলেন, “এই চারজনের কেউই ম্যাচ ফিটনেস প্রমাণ করেনি। তাহলে কীসের ভিত্তিতে তাদের ফিট ধরা হচ্ছে? বেঙ্গালুরুর সিওইতে (সেন্টার অব এক্সেলেন্স) ফিটনেস প্রমাণ করলেই কি কেউ ম্যাচ খেলার জন্য ফিট হয়ে যায়? এমনভাবেই হার্শিত রানা ইংল্যান্ডে গিয়েছিল, এরপর সেখানে কী হয়েছিল? তাই ম্যাচ ফিটনেস গুরুত্বপূর্ণ।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি বলেন, “আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডে সিরিজ হারের পর নির্বাচকরা কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি এবং আফগানিস্তান সিরিজের জন্য পূর্ণ শক্তির দল সাজিয়েছে। তারা সব শক্তি নিয়ে মাঠে নামছে, কিন্তু এটা ভুল সিদ্ধান্ত। আফগানিস্তানের মতো দলের বিপক্ষেই তরুণদের সুযোগ দেওয়া উচিত। অথচ তারা ভয় থেকে পূর্ণশক্তির দল বেছে নিয়েছে।
তিনি যোগ করেন, “আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডে হারের পর এটা মরিয়া সিদ্ধান্ত বলেই মনে হচ্ছে। তবে এই দলটি প্রায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বেছে নেওয়া দলেরই মতো।
বুমরাহ, হার্ষিত, নীতিশ ও ওয়াশিংটনের সামর্থ নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও, তাদের ফিটনেস নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন শ্রীকান্ত। তিনি বলেন, “এই চারজনের কেউই ম্যাচ ফিটনেস প্রমাণ করেনি। তাহলে কীসের ভিত্তিতে তাদের ফিট ধরা হচ্ছে? বেঙ্গালুরুর সিওইতে (সেন্টার অব এক্সেলেন্স) ফিটনেস প্রমাণ করলেই কি কেউ ম্যাচ খেলার জন্য ফিট হয়ে যায়? এমনভাবেই হার্শিত রানা ইংল্যান্ডে গিয়েছিল, এরপর সেখানে কী হয়েছিল? তাই ম্যাচ ফিটনেস গুরুত্বপূর্ণ।