শিরোনাম
◈ তুচ্ছ ঘটনায় বারবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ ◈ পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে কক্সবাজারগামী ট্রেনে বসছে সিসি ক্যামেরা ◈ গোয়েন্দা নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নাকচ করেনি সৌদি ◈ দফায় দফায় হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন মোজতবা খামেনি ◈ ডিমের বাজারে অস্বাভাবিক দাম ও কৃত্রিম সংকট নিয়ে কড়া বার্তা বাণিজ্যমন্ত্রীর, ব্যবসায়ীদের যা বললেন ◈ জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি, আবেদন করতে পারবেন যারা ◈ আকাশসীমার জটিলতা কাটল, ১ অক্টোবর থেকে আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম ◈ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার জন্য প্রস্তুত: পাকিস্তানকে রাজনাথ সিংয়ের কড়া বার্তা ◈ এবার লাইভে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কড়া বার্তা দিলেন সালমান মুক্তাদির! (ভিডিও) ◈ অর্থনৈতিক দৃশ্যপট বদলে যাবে: ৩৯৬ কোটিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নতুন গতি, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

প্রকাশিত : ০৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:৩৬ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতে পালানোর সময় সালমানকে সঙ্গে নিতে বারবার ফোন করেছিলেন শেখ হাসিনা

ছাত্রজনতার চাপের মুখে নতি স্বীকার করে ক্ষমতা ছেড়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে সময় তার সঙ্গে ছিলেন বোন শেখ রেহানা। ওই ঘটনার দুবছর পর সামনে এসেছে তাদের সেদিনের পালিয়ে যাওয়ার সময়কার আরও কিছু তথ্য।

জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন ভারতে যাওয়ার ফ্লাইটে সালমান এফ রহমানকে সঙ্গে নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও শীর্ষ এই সহযোগী শেষ মুহূর্তে রওনা হওয়ার সুযোগটি হাতছাড়া করেন। গণভবনে ৫ আগস্ট সকালের ঘটনা সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

৫ আগস্ট সকালে গণভবনে উপস্থিত এক কর্মকর্তা বলেন, হাসিনা ও তার বোনকে বহনকারী গাড়িবহর যখন বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে গণভবন ছাড়ে, তখন তারা ভারতের ফ্লাইটে কেবল কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে সঙ্গে নিতে চেয়েছিলেন।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, তারা তাদের প্রধান সহযোগীদের ফোন করে বিমানবন্দরে তাদের সঙ্গে যোগ দিতে বলেন। তাদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং সালমান এফ রহমানও ছিলেন। সালমানকেও বেশ কয়েকবার ফোন করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি।

advertisement

পরবর্তীতে ফাঁস হওয়া এক অডিও রেকর্ডিংয়ে শোনা যায়, শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে সালমানকে ফোন করছিলেন এবং তাকে অবিলম্বে বাসা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছিলেন।

তবে একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, ওই সময় সালমান সরকারের জন্য কূটনৈতিক সমর্থন আদায়ের শেষ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে একটি প্রভাবশালী পশ্চিমা দেশের ভারপ্রাপ্ত দূতের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এর ফলে তিনি মূল্যবান সময় হারিয়ে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারেননি।

যদিও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার জন্য একটি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ প্রস্তুত ছিল, কিন্তু বিমানবন্দরের সীমানার কাছে সেনাবাহিনীর ব্যারিকেড ভেঙে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী ঢুকে পড়ায় সেখানে পৌঁছানো তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা পুরোনো বিমানবন্দরে তার জন্য অপেক্ষা করেননি।

উল্লেখ্য, বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক সালমান এফ রহমান মন্ত্রীর মর্যাদায় শেখ হাসিনার অত্যন্ত প্রভাবশালী উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি হাসিনার পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধানের ভূমিকাও পালন করতেন এবং পশ্চিমা ও এশীয় নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সব বৈঠকে প্রায়ই সরকারের প্রতিনিধিত্ব করতেন।

হাসিনা ভারতে চলে যাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী এই প্রভাবশালী রাজনীতিবিদকে ধরতে দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। শেষ পর্যন্ত নৌপথে পালিয়ে যাওয়ার সময় সদরঘাট এলাকা থেকে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনার সাবেক বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তথ্যসূত্র: ডেইলি ওয়াদা

  • সর্বশেষ