শিরোনাম
◈ তুচ্ছ ঘটনায় বারবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ ◈ পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে কক্সবাজারগামী ট্রেনে বসছে সিসি ক্যামেরা ◈ গোয়েন্দা নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নাকচ করেনি সৌদি ◈ দফায় দফায় হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন মোজতবা খামেনি ◈ ডিমের বাজারে অস্বাভাবিক দাম ও কৃত্রিম সংকট নিয়ে কড়া বার্তা বাণিজ্যমন্ত্রীর, ব্যবসায়ীদের যা বললেন ◈ জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি, আবেদন করতে পারবেন যারা ◈ আকাশসীমার জটিলতা কাটল, ১ অক্টোবর থেকে আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম ◈ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার জন্য প্রস্তুত: পাকিস্তানকে রাজনাথ সিংয়ের কড়া বার্তা ◈ এবার লাইভে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কড়া বার্তা দিলেন সালমান মুক্তাদির! (ভিডিও) ◈ অর্থনৈতিক দৃশ্যপট বদলে যাবে: ৩৯৬ কোটিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নতুন গতি, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

প্রকাশিত : ০৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৩৮ সকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাতার প্রসঙ্গে কেন আপত্তি জানান শেখ হাসিনা?

মানবজমিনের প্রতিবেদন : বাংলাদেশের গদিচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো অবস্থাতেই অন্য কোনো দেশে যেতে রাজি নন। তার পছন্দ ভারত। এখানেই তিনি আছেন। এখানেই থাকতে চান। এমনকি এটাও বলেছেন, মরলে মরবো ভারতেই। তাই তাকে কাতারে পাঠানোর একটা তৎপরতা ভেস্তে গেছে। অন্তর্বর্তী জমানায় হাসিনাকে স্থানান্তরের বিষয়ে ভারত, বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় দূতিয়ালিতে এমনই একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল । কিন্তু হাসিনা বেঁকে বসেন। বলেন, আমি এখানেই থাকবো। হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবিতে যখন চাপ বাড়ছিল তখনই তাকে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানোর ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়। একপর্যায়ে কাতার সম্মতি দেয়।

কূটনৈতিক তৎপরতা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে তখনই ভারত সিদ্ধান্ত কার্যকর করা থেকে বিরত থাকে। কারণ জোর করে হাসিনাকে অন্য কোনো দেশে পাঠানোর ব্যাপারে ভারতের কোনো ইচ্ছা বা অভিপ্রায় ছিল না। এখন অবশ্য হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো চাপ নেই। দায়িত্বশীল কূটনৈতিক সূত্রে মানবজমিন জানতে পেরেছে ভারত সরকারও হাসিনার নেতৃত্ব সম্পর্কে অনেকটাই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। আওয়ামী লীগকে নির্বাচনী রেসে সামিল করার জন্য তারা নানাভাবেই চেষ্টা চালিয়েছিল। তখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব অন্য কাউকে দেয়া যায় কিনা তা নিয়ে পর্দার আড়ালে অনেক তৎপরতা ছিল। প্রথমে সাবের হোসেন চৌধুরীকে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু হাসিনা তাতে সম্মতি দেননি। একপর্যায়ে সাবের হোসেন চৌধুরী নিজেই অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর রেহানার ছেলে রাদওয়ান সিদ্দিক ববিকে দিল্লিতে ডেকে নেয়া হয়। শেখ হাসিনার সঙ্গে ববি কথাও বলেন। শেখ হাসিনা এতেও সাঁয় দেননি।

ভারতের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। তখনই তাদের তরফে বাংলাদেশের নির্বাচনের ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেয়া হয়। এরপরের ঘটনা সবার জানা। নির্বাচনের পর হিসাবনিকাশ পাল্টে গেছে। পরিস্থিতি এখন উল্টো স্রোতে। দূরের একটি দেশও নতুন সমীকরণে যুক্ত হয়েছে। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক অনেকটা স্বাভাবিক হতে চলেছে। কূটনৈতিক যোগাযোগ বেড়েছে। দু’দেশের তরফেই সম্পর্ক নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার তাগিদ লক্ষ করা যাচ্ছে। ভিসা প্রক্রিয়া ফের স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের আগে নয়। সূত্রগুলো বলছে, এ ব্যাপারে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কয়েক দফা আলোচনাও হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন সামনে রেখে কৌশলগত কারণে বিজেপি সরকার ভিসা চালুর ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি। ২০২৪ এর ৫ই আগস্টের পর থেকে সকল প্রকার ভিসা বন্ধ রয়েছে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে চালু আছে।

  • সর্বশেষ