শিরোনাম
◈ ইয়াবা পাচারে বদলেছে রুট, বাড়ছে রেল-নৌ ও পাহাড়ি পথের ব্যবহার ◈ বিদেশিবিরোধী উত্তেজনায় আতঙ্কিত দক্ষিণ আফ্রিকার অভিবাসীরা ◈ আর্মব্যান্ড ছাড়াই হামজা নেতা: থমাস ডুলি ◈ তুচ্ছ ঘটনায় বারবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ ◈ পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে কক্সবাজারগামী ট্রেনে বসছে সিসি ক্যামেরা ◈ গোয়েন্দা নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নাকচ করেনি সৌদি ◈ দফায় দফায় হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন মোজতবা খামেনি ◈ ডিমের বাজারে অস্বাভাবিক দাম ও কৃত্রিম সংকট নিয়ে কড়া বার্তা বাণিজ্যমন্ত্রীর, ব্যবসায়ীদের যা বললেন ◈ জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি, আবেদন করতে পারবেন যারা ◈ আকাশসীমার জটিলতা কাটল, ১ অক্টোবর থেকে আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম

প্রকাশিত : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০১:২২ রাত
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তারেক রহমানকে নির্বাচনী বিতর্কে অংশ নেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উন্মুক্ত মঞ্চে নির্বাচনী বিতর্কে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

শুক্রবার রাত আটটার দিকে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ইংরেজিতে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান এ আমন্ত্রণ জানান।

তারেক রহমানের সম্প্রতি ঘোষিত রাজনৈতিক পরিকল্পনার প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান তাঁকে একটি উন্মুক্ত মঞ্চে সরাসরি আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

শফিকুর রহমান প্রস্তাব দেন, ওই আলোচনায় দুজন নেতা জাতির সামনে নিজ নিজ ইশতেহার উপস্থাপন করবেন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার জনগণের ওপর ছেড়ে দেবেন।

advertisement


শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা প্রয়োজন, যেখানে সব রাজনৈতিক শক্তি জনগণের রায় ও ইচ্ছাকে সম্মান করার অঙ্গীকার করবে।

ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই কেবল রাজনৈতিক বৈধতা অর্জন হতে পারে। জন আস্থা ও ন্যায্যতা অর্জন ছাড়া কোনো নির্বাচনী ফল জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে না।

শফিকুর রহমান জুলাই বিপ্লব–পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায় রয়েছে। তাঁর ভাষায়, রাজনীতি যে ভদ্র, শালীন ও সংঘাতমুক্ত হতে পারে, তা প্রমাণ করার সময় এসেছে।

শফিকুর রহমান বলেন, ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থার মানদণ্ড হওয়া উচিত এমন, যা গণমাধ্যম ও জনগণের সরাসরি নজরদারির মধ্যে থাকবে, সমালোচনার জন্য উন্মুক্ত হবে এবং যেখানে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। উৎস: প্রথম আলো।

 

  • সর্বশেষ