শিরোনাম
◈ ওমান প্রবাসীদের জন্য জরুরি খবর! ◈ বাংলাদেশে ই-বর্জ্য থেকে বছরে ৫০ কোটি ডলারের সম্পদ উদ্ধারের সুযোগ, ঝুঁকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য ◈ চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লিগ, ম‌্যান‌চেস্টার ইউনাইটেড‌কে হারা‌লো অ‌্যাত‌লে‌তি‌কো মা‌দ্রিদ ◈ ময়মনসিংহে স্কুলে শিক্ষক–শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল, পরে যা জানা গেল ◈ ফরিদপুর মেডিকেলে প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকার সরকারি অর্থের অপচয়! ◈ ইয়ে‌মে‌নের নি‌র্দেশ, সৌদি আরবের আরামকো স্থাপনা খালি করো, রিয়াদে পাল্টা হামলা চালা‌নো হ‌বে ◈ বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার চাপে দেশের পোশাকশিল্প: প্রবৃদ্ধির আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি ◈ ইমরান খানের শক্ত ঘাঁটি অবরুদ্ধ করেছে পাকিস্তান, এর ফল উল্টো হতে পারে ◈ ‌চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লি‌গে দুর্বার বার্সেলোনা, গোলের বন্যায় জয়যাত্রা অব্যাহত ◈ ‌লি‌লের জা‌লে আর্সেনালের ৩ গোল

প্রকাশিত : ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৩ দুপুর
আপডেট : ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে ভারতের আন্দোলনে ইথুন বাবুর ‘দেশটা তোমার বাপের নাকি’

মনিরুল ইসলাম: বাংলাদেশের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় প্রতিবাদের ভাষা হয়ে ওঠা ‘দেশটা তোমার বাপের নাকি’ গানটি এবার ভারতেও আলোচনায় এসেছে বলে জানিয়েছেন গানটির গীতিকার ও সুরকার ইথুন বাবু। তাঁর দাবি, ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে গানটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশের ডিবিসি নিউজসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলেও গানটি নিয়ে সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে।

নিজের সৃষ্টি দেশের সীমানা পেরিয়ে অন্য দেশের আন্দোলনেও ব্যবহৃত হওয়ায় উচ্ছ্বাস ও আবেগ প্রকাশ করেছেন ইথুন বাবু। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজের অনুভূতির কথা তুলে ধরেছেন।

ফেসবুক পোস্টে ইথুন বাবু লিখেছেন, ‘একজন গীতিকার ও সুরকার হিসেবে এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে!’

গানটি বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রী, তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যেভাবে সাড়া ফেলেছিল, তা স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় মানুষ গানটিকে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে আপন করে নিয়েছিলেন। এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ভারতের আন্দোলনেও গানটির ব্যবহার তাঁকে গভীরভাবে আলোড়িত করছে।

Advertisement

ইথুন বাবুর ভাষায়, একটি গান যখন দেশের সীমানা পেরিয়ে মানুষের প্রতিবাদের ভাষা হয়ে ওঠে, তখন সেই গানের স্রষ্টা হিসেবে প্রাপ্তির অনুভূতি হয় অন্য রকম।

নিজের আনন্দ ও গর্বের কথা জানিয়ে এই গীতিকার ও সুরকার আরও বলেন, তাঁর সৃষ্টির এই বিস্তার শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বাংলা গান ও প্রতিবাদী সংস্কৃতির জন্যও একটি অনন্য প্রাপ্তি।

গানটিকে হৃদয়ে ধারণ করে প্রতিবাদের মঞ্চে পৌঁছে দেওয়া মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ইথুন বাবু। একই সঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে গানের শক্তির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

পোস্টের শেষাংশে তাঁর প্রত্যাশা, গান হয়ে উঠুক মানুষের কণ্ঠস্বর এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তি।

একটি গান যখন নির্দিষ্ট সময় ও ভূগোলের সীমা অতিক্রম করে মানুষের প্রতিবাদের অভিব্যক্তি হয়ে ওঠে, তখন তার আবেদন কেবল বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। ইথুন বাবুর বক্তব্যেও উঠে এসেছে সেই উপলব্ধি। তাঁর লেখা ও সুর করা ‘দেশটা তোমার বাপের নাকি’ গানটি ঘিরে এই আলোচনা বাংলা গানের প্রতিবাদী ধারাকে নতুন করে সামনে এনেছে।

    <