স্পোর্টস ডেস্ক: লাইপজিগের মাঠে গোলের লড়াইয়ে শেষ হাসি ম্যানচেস্টার সিটির। বুধবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে স্বাগতিকদের ৩-২ গোলে হারিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। দুইবার সমতায় ফিরেও শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি লাইপজিগ। সিটির জয়সূচক গোলটি করেন আর্লিং হলান্ড।
প্রথমার্ধে সিটির পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। বরং শুরু থেকেই আক্রমণে স্বাগতিকরাই বেশি ধারালো ছিল। ১৪তম মিনিটে রিডল বাকুর শট সামলাতে গিয়ে বিপদ তৈরি করেন সিটি গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুম্মা। ৩০তম মিনিটে ক্রিস্টোফ বাউমগার্টনারের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
তবে ৩৭তম মিনিটে ভাগ্যের সহায়তায় এগিয়ে যায় সিটি। নিকো ও’রাইলির কাট-ব্যাক ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠান লাইপজিগ ডিফেন্ডার লুকেবা।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে লাইপজিগ। ৪৭তম মিনিটে বাউমগার্টনারের জোরালো শট এক হাতে ফিরিয়ে দেন দোন্নারুম্মা। দুই মিনিট পর আর পারেননি। সতীর্থের পাস পেয়ে দুরূহ কোণ থেকে শটে সমতা ফেরান বাকু।
৫৮তম মিনিটে আবার এগিয়ে যায় সিটি। বাঁ দিক থেকে ইলিমান এনজাইয়ের ক্রসে হেডে গোল করেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার এন্সো ফের্নান্দেস। কিন্তু দুই মিনিট পরই আবার সমতা ফেরায় লাইপজিগ। বক্সে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন আন্তোনিও নুসা।
দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দেন হলান্ড। ৭৮তম মিনিটে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের পাস থেকে স্লাইডে বল জালে পাঠিয়ে সিটিকে এগিয়ে দেন নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৬১ ম্যাচে এটি তাঁর ৬২তম গোল। লাইপজিগের বিপক্ষে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৯ ম্যাচে তাঁর গোল ১৩টি।
শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল সিটি। তবে হলান্ডের আরেকটি প্রচেষ্টা আটকে দেন লাইপজিগ গোলরক্ষক। ৮১তম মিনিটে ডেভিড রাউমের ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে আসায় সমতায় ফেরার সুযোগও হারায় স্বাগতিকরা।
এই জয়ে চার ম্যাচে তিন জয় ও ৯ পয়েন্ট নিয়ে গোল পার্থক্যে সাত নম্বরে উঠেছে সিটি। সমান পয়েন্ট নিয়ে তাদের সঙ্গে আছে আরও আট দল। ৩ পয়েন্ট নিয়ে ৩০তম স্থানে লাইপজিগ। ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে পিএসজি, সমান পয়েন্টে দুইয়ে রেয়াল মাদ্রিদ।