শিরোনাম
◈ রফতানিতে ধাক্কা, কারখানায় আগুন: কতটা ক্ষতিগ্রস্ত পোশাকশিল্প? ◈ পর্যাপ্ত মজুতের পরও সার নিয়ে বিপাকে কৃষকরা ◈ সাজেকে ১৪ দিনের অবরোধে চরম খাদ্যসংকট, পর্যটন ও পরিবহন খাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা: সমাধান করবে কে? ◈ শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ জিগাতলায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ ◈ গাছতলায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ৯৫ বছরের বাবাকে বাড়িতে নিলেন বড় ছেলে ◈ কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত ◈ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক, ছাড়পত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা ◈ ৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পায়ে হেঁটে মানিকমিয়া এভিনিউ পর্যন্ত যাবেন ◈ জানুয়া‌রি‌তে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ?

প্রকাশিত : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৩১ সকাল
আপডেট : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৩১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেশের ৭৪% বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বিষণ্নতায় ভুগছেন : গবেষণা

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ৭৪ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে বিষণ্নতার বিভিন্ন মাত্রার লক্ষণ রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-অধিভুক্ত কলেজের ৪২২ শিক্ষার্থীর ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

বুধবার বিকেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়। মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘বন্ধু’ (বন্ডু) এবং বাংলাদেশ ইয়ুথ থিংক ট্যাংক (বিওয়াইটি) যৌথভাবে এ গবেষণা পরিচালনা করে। গবেষণার প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন গবেষক ও নীতিবিশ্লেষক মাহাদী-উল-মোর্শেদ।

‘বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিষণ্নতার সামাজিক ও জনমিতিক কারণ: পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ’ শীর্ষক গবেষণায় ১৮ থেকে ২৬ বছর বয়সী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বিষণ্নতার মাত্রা নির্ধারণে গবেষকেরা ডিএএসএস-২১-এর বাংলা সংস্করণ ব্যবহার করেন।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ১২ দশমিক ৩ শতাংশের বিষণ্নতার লক্ষণ মৃদু, ২৮ দশমিক ৭ শতাংশের মাঝারি, ১২ দশমিক ৩ শতাংশের তীব্র এবং ২০ দশমিক ৯ শতাংশের অত্যন্ত তীব্র পর্যায়ে রয়েছে।

Advertisement

বিষণ্নতার ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় হিসেবে পারিবারিক সম্পর্কের অবনতি, আত্মহত্যার চিন্তা, অনিয়মিত ঘুম ও খাদ্যাভ্যাস, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতার কথা উঠে এসেছে গবেষণায়।

জরিপে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ দিনে পাঁচ ঘণ্টার বেশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন। ঘুম থেকে ওঠার আধা ঘণ্টার মধ্যে মুঠোফোন দেখেন ৮৭ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে, ২৯ দশমিক ১ শতাংশ শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাঁরা নিয়মিত পড়াশোনার জন্য দিনে এক ঘণ্টাও সময় দেন না।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে। আর ২২ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন বলে মনে করলেও তা নিতে পারছেন না।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত ও গোপনীয় মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু, সহজলভ্য পেশাদার পরামর্শসেবা নিশ্চিত এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে গবেষণা দল। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আবাসন ও যাতায়াতব্যবস্থা উন্নত করার কথাও বলা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। এ পরিস্থিতির উন্নয়নে রাষ্ট্র, সমাজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন 

  • সর্বশেষ