স্পোর্টস ডেস্ক : লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেটের লড়াই শুরুর আগে ২০২৮ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে পুরুষ ও নারী বিভাগের বাছাইপর্ব। বাছাইপর্বের ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত করেনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। প্রতিটি বিভাগে আটটি দল অংশ নেবে।
২০২৮ সালের অলিম্পিকে ক্রিকেট ফিরছে ১২৪ বছর পর। সর্বশেষ ১৯০৪ সালে অলিম্পিকে দেখা গিয়েছিল এই খেলা। এবার পুরুষ ও নারী—দুই বিভাগেই ছয়টি করে দল অংশ নেবে। আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষ দল সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তবে নারী দলের অংশগ্রহণ নির্ভর করছে র্যাঙ্কিংয়ের শর্ত পূরণের ওপর।
আইসিসির হালনাগাদ নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের নারী দলকে। তা না হলে অলিম্পিকের পঞ্চম সরাসরি বাছাইয়ের স্থান নির্ধারিত হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতে অনুষ্ঠেয় প্রথম নারী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফলের ভিত্তিতে। পুরুষ বিভাগে আফ্রিকা, এশিয়া, ইউরোপ ও ওশেনিয়া অঞ্চলের শীর্ষ র্যাঙ্কিংধারী দলগুলো সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে।
প্রতিটি অলিম্পিক বাছাইপর্বে আটটি দল খেলবে। সরাসরি যোগ্যতা অর্জনকারী দলগুলোর বাইরে র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা সাতটি দল এবং ক্যারিবীয় আঞ্চলিক বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন দল অংশ নেবে। তবে বাছাইপর্বের ভেন্যু ও বিস্তারিত সূচি এখনো ঘোষণা করেনি আইসিসি।
এদিকে, ২০২৮ সালের নারী ও পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচিতেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। নারীদের ১২ দলের বিশ্বকাপ ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাকিস্তানে হওয়ার কথা। পুরুষদের ২০ দলের বিশ্বকাপ ১২ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া অথবা নিউজিল্যান্ডে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। দুই টুর্নামেন্টের মধ্যে বিরতি মাত্র ১১ দিনের।
এ ছাড়া ২০২৯ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ৮ থেকে ১২ জুন ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ২০৩০ সালের পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়ও পরিবর্তন করেছে আইসিসি। জুনের পরিবর্তে জুলাই-আগস্টে হবে টুর্নামেন্টটি। ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড যৌথভাবে আয়োজন করবে ২০ দলের এই প্রতিযোগিতা।
২০২৭ থেকে ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের মধ্যবর্তী সময়ে বাছাইপর্বসহ পুরুষদের ১২টি, নারীদের সাতটি এবং অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে পাঁচটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে আইসিসির।