শিরোনাম
◈ ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর, যেভাবে পাল্টে গেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের সমীকরণ ◈ চার দশকের অপেক্ষার অবসান, ২০ নভেম্বর চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা সরাসরি ট্রেন ◈ সাজেক দখলে মরিয়া দুই পক্ষ, বিপাকে পর্যটন ব্যবসায়ীরা ◈ ২০২৭ সালের জুনে চালু হচ্ছে চট্টগ্রামের প্রথম স্যুয়ারেজ প্রকল্প, উপকৃত হবে ২০ লাখ মানুষ ◈ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভুলে ২০ লাখ পাঠ্যবই সংশোধনের উদ্যোগ, বাড়ছে ব্যয়ের শঙ্কা ◈ ১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য, জাপানি কনসোর্টিয়ামের ৪ শর্তে আটকে চুক্তি! ◈ এসবিআই ব্যাংকের ৩ লাখ ৮০ হাজার নথি চুরির দাবি হ্যাকারদের, গ্রাহকদের তথ্য ফাঁসের শঙ্কা ◈ তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নভেম্বরে, মোদির সঙ্গে বৈঠকে গুরুত্ব পাবে যেসব ইস্যু: ইন্ডিয়া এম্পায়ারের নিবন্ধ ◈ কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা নয়ন গ্রেপ্তার, আদাবরে আরও অপকর্মের অভিযোগ ◈ পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর পরিকল্পনা, কলকাতা যেতে সময় লাগতে পারে মাত্র ৬ ঘণ্টা

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৩১ সকাল
আপডেট : ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৩৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর, যেভাবে পাল্টে গেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের সমীকরণ

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর সময় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার মূল বিষয় ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক মিত্রদের ভূমিকা। কিন্তু প্রায় আট মাসের ব্যবধানে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি আমূল বদলে গেছে। নতুন নতুন রণক্ষেত্র তৈরি হয়েছে, বেড়েছে অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি এবং দুই পক্ষের ওপরই তীব্র হয়েছে রাজনৈতিক চাপ।

যুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংঘাতকেন্দ্র হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালী। যুদ্ধের আগে আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের জন্য উন্মুক্ত এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে এখন জাহাজ চলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন জাহাজ ও জ্বালানি অবকাঠামোয় ইরানের হামলার পাশাপাশি ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে।

সংঘাতের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে পুরো অঞ্চলে। ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনাগুলোও হামলার ঝুঁকিতে পড়েছে। এতে লোহিত সাগর দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য পরিচালনার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপও ক্রমেই বাড়ছে। নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক তৎপরতার চাপে ইরানের অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে। অন্যদিকে, সংঘাত চালিয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে কয়েক হাজার কোটি ডলার। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়িয়েছে।

সামরিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভূখণ্ডের গভীরে হামলা চালানোর সক্ষমতা দেখিয়েছে। তবে তেহরানও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং বিভিন্ন জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমে পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা বজায় রেখেছে। ফলে যুদ্ধটি আর কেবল পারমাণবিক কর্মসূচি বা আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের বিরোধে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে।

সূত্র: আলজাজিরা

  • সর্বশেষ