শিরোনাম
◈ ১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য, জাপানি কনসোর্টিয়ামের ৪ শর্তে আটকে চুক্তি! ◈ এসবিআই ব্যাংকের ৩ লাখ ৮০ হাজার নথি চুরির দাবি হ্যাকারদের, গ্রাহকদের তথ্য ফাঁসের শঙ্কা ◈ তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নভেম্বরে, মোদির সঙ্গে বৈঠকে গুরুত্ব পাবে যেসব ইস্যু: ইন্ডিয়া এম্পায়ারের নিবন্ধ ◈ কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা নয়ন গ্রেপ্তার, আদাবরে আরও অপকর্মের অভিযোগ ◈ পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর পরিকল্পনা, কলকাতা যেতে সময় লাগতে পারে মাত্র ৬ ঘণ্টা ◈ হোসাইনের ঘূর্ণিতে ঘায়েল ও‌য়েস্ট ইন্ডিজ, ড্র হ‌লো প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ ◈ কক্সবাজারে আবারও হোটেলে আগুন, নিরাপদে বেরিয়ে এলেন ৩ শতাধিক পর্যটক ◈ বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি ১৫ দেশের ৪০৭ নাগরিক, সবচেয়ে বেশি ভারতীয় ◈ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেল‌তে ভারতে গে‌লো বাংলা‌দেশ হকি দল ◈ ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০৩:২৩ রাত
আপডেট : ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০৩:৩০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এসবিআই ব্যাংকের ৩ লাখ ৮০ হাজার নথি চুরির দাবি হ্যাকারদের, গ্রাহকদের তথ্য ফাঁসের শঙ্কা

ভারতের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (এসবিআই)-এর গ্রাহকদের সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি করেছে ‘সিরিউসিম’ নামের একটি হ্যাকার গোষ্ঠী। প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর ঘটনাটি আংশিক স্বীকার করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেসব গ্রাহকের তথ্য প্রভাবিত হয়েছে, তাদের ইতোমধ্যে ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

তবে একই সঙ্গে এক বিবৃতিতে এসবিআই স্পষ্ট করে আশ্বস্ত করেছে যে, গ্রাহকদের গচ্ছিত আমানত ও মূল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট তাদের কাছে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ সাইবার নিরাপত্তা মনিটরিং সংস্থা ‘সাইবারপালস৫৬’ প্রথম এই তথ্য প্রকাশ্যে আনে। তাদের দেওয়া দাবি অনুযায়ী, ভারতের বৃহত্তম এই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার নথি এবং গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য ডার্ক ওয়েবে ছড়িয়ে পড়েছে। চুরির তালিকায় গ্রাহকদের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বরের পাশাপাশি ঋণের আবেদন এবং অ্যাকাউন্ট খোলার নথিপত্রসহ অসংখ্য পিডিএফ ও ফাইল রয়েছে। এই দাবির পর ব্যাংকটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করে সাইবার আক্রমণের সত্যতা যাচাই করছে।

সাইবার নিরাপত্তাবেশ্লেষকদের মতে, তথ্য চুরির এই ঘটনাটি চরম উদ্বেগের কারণ হতে পারে। যদিও হ্যাকাররা সরাসরি গ্রাহকদের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা সরানোর সুযোগ পায়নি, তবুও ফাঁস হওয়া নথিপত্র ব্যবহার করে প্রতারকরা পরিচয় চুরি করতে পারে। এর মাধ্যমে ভুয়া পরিচয়ে ঋণের আবেদন বা ব্যক্তিগত আর্থিক প্রতারণার মতো নানা অপব্যবহারের বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ঘটনার মূল উৎস শনাক্ত করতে এবং এসবিআই-এর অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশ ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞদের কাজ চলমান রয়েছে।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এবং ভারতের প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এসবিআই-এর সাথে দেশের ৫০ কোটিরও বেশি মানুষ যুক্ত। সাধারণ জনগণের সিংহভাগ মানুষের প্রাথমিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকে রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানে। ব্যাংকিং খাতে সাধারণ মানুষের আস্থা সবচেয়ে বেশি থাকায় এসবিআই-এর সিস্টেমে কোনো বড় বিপর্যয় ঘটলে তা ভারতের সার্বিক অর্থনীতি ও ব্যবসায়িক লেনদেনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। চলতি বছর ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক সাইবার সুরক্ষায় বাড়তি কড়াকড়ি আরোপ করার পরও এমন ঘটনা আর্থিক খাতের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

  • সর্বশেষ