শিরোনাম
◈ ক্রিকে‌টে চমকের জন্য তৈরি শাহরুখ খান, দ্য হান্ড্রেডে দেখা যেতে পারে নাইটরাইডা‌র্সের নতুন দলকে?  ◈ বাংলাদেশের কাছে হেরে মাথাব্যথা বেড়ে গে‌ছে অস্ট্রেলিয়ার! দ্বিতীয় টেস্টে বাদ ওপেনার  ◈ সরবরাহ বিঘ্নের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম ◈ কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটে হোটেলে আগুন, ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু ◈ জ্বালানি সংকটের সঙ্গে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ, চ্যালেঞ্জে সরকার ◈ অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন কর্মপরিকল্পনা, উন্নতির পথে আইনশৃঙ্খলা ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটের প্রচার নিয়ে নির্দেশনা জারি ◈ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-ভুটান ◈ ‘ওস্তাদ চাপ দিয়েন না, মহিলা’ এ কথা শুনতে হয় নারী চালককে, প্রথম দিনেই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ◈ তারেক রহমানের সফরের জন্য এখনও অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ভারত: ভারতীয় হাইকমিশনার

প্রকাশিত : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৫ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

ইমরান খান অধিনায়ক থাকলে টেস্টে ৪০০ উইকেট পেতাম, ওয়া‌সিম আকরা‌মের সমালোচনাও করলেন শোয়েব আখতার

স্পোর্টস ডেস্ক : পাকিস্তানের হয়ে তিনি মাত্র ৪৬টি টেস্ট খেলেছেন। পেয়েছেন ১৭৮টি উইকেট। তবে ইমরান খান অধিনায়ক হলে তিনি ৪০০টি উইকেট পেতে পারতেন। এক সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করলেন শোয়েব আখতার। পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার ঘুরিয়ে সমালোচনা করে প্রাক্তন সতীর্থ ওয়াসিম আকরামের।

২০১১ বিশ্বকাপের পর অবসর নেন শোয়েব। সেই সময় শাহিদ আফ্রিদির সঙ্গে তাঁর ঝামেলার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। ‘জিয়ো টিভি’র একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে শোয়েব জানিয়েছেন, তাঁর স্বপ্নের অধিনায়ক ইমরানের অধীনে খেলতে পারলে জীবনটাই অন্য রকম হত। --- আনন্দবাজার

শোয়েব বলেছেন, যদি আমি ইমরান খানের মতো আগ্রাসী অধিনায়কের অধীনে খেলতে পারতাম, তা হলে অনেক কিছু শিখতে পারতাম। টেস্ট ক্রিকেটে ৪০০ উইকেট পেতে পারতাম। রাওয়ালপিন্ডিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্টে অভিষেক হয়েছিল শোয়েবের। সেই সময়ে পাকিস্তানের তৎকালীন অধিনায়ক আক্রম শোয়েবকে খেলাতে চাননি। তিনি মনে করেছিলেন, বড্ড আগে অভিষেক হচ্ছে শোয়েবের। পরবর্তীকালে দুই পেসারের মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা ভাল ছিল না। যদিও পাকিস্তানের হয়ে তাঁরা জুটি বেধে অনেক ম্যাচ জিতিয়েছেন।

শোয়েব জানিয়েছেন, ১৪ বছরের ক্রিকেটজীবনে অনেক শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে। নিজেকে ফিট রাখার জন্য কঠোর রুটিন অনুসরণ করেছেন।

শোয়েবের কথায়, “বাকিদের থেকে তিন ঘণ্টা আগে উঠতে হত। আগে সাইকেল চালিয়ে জিম যেতাম। হাঁটু শক্ত হয়ে যেত। কাজ করত না। হাঁটু থেকে ফ্লুইড বেরোত। ওষুধ দিয়ে, বরফ লাগিয়ে নিজেকে ঠিক রেখেছিলাম। তার পর কোনও ম্যাচ গিয়ে বল করতাম। ম্যাচের পর আরও পাঁচ ঘণ্টা লাগত শরীর ঠিক হতে। ওটাই আমার জীবন ছিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়