স্পোর্টস ডেস্ক : হাইভোল্টেজ লড়াই, গোল হলো দুটি—কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয়ী কেউ নয়। উয়েফা নেশন্স লিগে ফ্রান্স ও ইতালির ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ গোলে। ফ্রান্সের হয়ে গোল করেছেন মাইকেল ওলিসে, ইতালির জবাব আলেস্সান্দ্রো বাস্তোনির।
শুরুতেই গোলের সুযোগ পেয়েছিল ইতালি। নবম মিনিটে বাঁ দিক থেকে আসা পাস দূরের পোস্টে ফাঁকায় পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি মোইজে কিন। তাঁর প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মিয়াঁ।
দুই দলই আক্রমণে উঠলেও প্রথমার্ধে পরিষ্কার সুযোগের সংখ্যা ছিল কম। ৩৭তম মিনিটে ফ্রান্সের প্রথম শট লক্ষ্যে যায়। উসমান দেম্বেলের প্রচেষ্টা সহজেই রুখে দেন জানলুইজি দোন্নারুম্মা। বিরতিতে দুই দলই আটটি করে শট নেয়, লক্ষ্যে রাখতে পারে একটি করে।
বিরতির পর অবশ্য ম্যাচ জমে ওঠে। ৪৮তম মিনিটে দোন্নারুম্মার দুর্দান্ত ডাবল সেভ ইতালিকে রক্ষা করে। দেজিরে দুয়ের শট ঠেকানোর পর কাছ থেকে দেম্বেলের প্রচেষ্টাও ফিরিয়ে দেন তিনি। দুই মিনিট পর ওলিসের শটও আটকে দেন ইতালির গোলরক্ষক।
৫৫তম মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। ডি-বক্সের বাইরে ফ্রি-কিকে রায়ান শের্কির পাস একটু এগিয়ে দেওয়া বল পেয়ে বুলেট গতির শটে জাল খুঁজে নেন ওলিসে। দোন্নারুম্মার কিছুই করার ছিল না।
তবে এগিয়ে থেকে বেশিক্ষণ স্বস্তিতে থাকতে পারেনি ফ্রান্স। ৬৮তম মিনিটে নিজেদের ভুলেই সমতায় ফেরে ইতালি। বক্সের বাইরে বলের নিয়ন্ত্রণ হারান লুকা দা কুইয়া। আলগা বল পেয়ে এগিয়ে এসে ফ্রান্সের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন বাস্তোনি।
শেষ দিকে জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ফ্রান্স। কিন্তু হাবিও ও কামাভিঙ্গার শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন দোন্নারুম্মা। ম্যাচে মোট সাতটি সেভ করে ইতালির এক পয়েন্ট নিশ্চিত করার নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি।
শেষ বাঁশির পাঁচ মিনিট আগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দাইয়ু উপামেকানো। এরপরও আর গোল হয়নি।
ড্র করেও ‘এ’ লিগের ১ নম্বর গ্রুপের শীর্ষে ফ্রান্স। তিন ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৭। একই সময়ে তুরস্ককে ৩-০ গোলে হারিয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে বেলজিয়াম। ৪ পয়েন্ট নিয়ে ইতালি তৃতীয়, আর তুরস্কের ঝুলিতে এখনো কোনো পয়েন্ট নেই।