শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রে নিঝুম মজুমদারকে হেনস্তা করে যুক্তরাষ্ট্র যুবদল, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সামনে (ভিডিও) ◈ প্রধানমন্ত্রীর দেখা না পেয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের ওপর ক্ষু'ব্ধ নেতাকর্মীরা, হেনস্তার চেষ্টা (ভিডিও) ◈ উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন ৮ ইউএনও ◈ কুমিল্লায় সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আটক ◈ বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনা সারাদেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে ◈ মোহাম্মদপুরে কয়েকশ’ লোকের হামলা-ভাঙচুর, ১৫ লাখ টাকা ও জমির দলিল লুটের অভিযোগ ◈ টিকটক পরিচয়ে কুমিল্লায় দেখা করতে গিয়ে কিশোরী ধর্ষণের শিকার, অভিযুক্ত পলাতক ◈ গাইবান্ধায় যেভাবে কণ্ঠ নকল করে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার ফাঁদ পাতেন প্রতারক (ভিডিও) ◈ যুক্তরাজ্যে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি, আগস্টে প্রবৃদ্ধি ১০.৫৩%

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২৬, ০৪:০১ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আইপিএল ফাইনাল: শিরোপার সঙ্গে কত টাকা পুরস্কার?

বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে ধনী টি-টোয়েন্টি লিগ আইপিএল। চলতি মৌসুমে আর্থিক দিক থেকে রয়েছে বড়সড় চমক। বিশেষ করে ফাইনালের পুরস্কারমূল্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আজ রোববার সন্ধ্যায় শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং গুজরাট টাইটান্স। প্রশ্ন হল, চ্যাম্পিয়ন দল কত পাবে? রানার্স দলের পকেটেই বা ঢুকবে কত?

এই মৌসুমে শুরুর আগে প্রতিটি দলের জন্য নিলামের বাজেট ছিল ১২৫ কোটি টাকা, যা বাড়তে বাড়তে চলতি বছর পৌঁছেছে ১৫১ কোটি টাকায়। শুধু দল নয়, পুরো টুর্নামেন্টের পুরস্কার মূল্যও বেড়েছে। শীর্ষ চার দলের জন্য মোট ৪৬.৫ কোটি টাকা পুরস্কার হিসাবে রাখা হয়েছে।

চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২০ কোটি টাকা। রানার্স-আপ পাবে ১৩ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে থাকা রাজস্থান রয়্যালসের পকেটে ঢুকবে ৭ কোটি। চতুর্থ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ পাবে ৬.৫ কোটি। তবে এই পুরস্কারের পুরো টাকা দল নিজেদের কাছে রাখতে পারে না। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, অন্তত ৫০ শতাংশ অর্থ খেলোয়াড়দের মধ্যে ভাগ করে দিতে হয়। ফলে ক্রিকেটাররা নিজেদের চুক্তির বাইরেও অতিরিক্ত আয় করেন।

একটি দল যদি পুরো মৌসুমে ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে মোট ১৭টি ম্যাচ খেলে, তাহলে একজন খেলোয়াড়ের অতিরিক্ত আয় অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। ম্যাচ ফি, জয়ের বোনাস ও অন্যান্য পারফরম্যান্স ইনসেন্টিভ মিলিয়ে এই বাড়তি আয় প্রায় ১.২৭ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। এমনকি তুলনামূলকভাবে কম দামের ক্রিকেটাররাও পুরো মৌসুম শেষে ভালো পারফরম্যান্স ও দলের সাফল্যের কারণে প্রায় ১.৩৫ কোটি টাকা বা তারও বেশি রোজগার করতে পারেন। এটাই আইপিএলের ক্যারিশমা।

এছাড়া ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের জন্যও আলাদা আলাদা পুরস্কার দেওয়া হয়, যা খেলোয়াড়দের আয় আরও বাড়িয়ে দেয়। অরেঞ্জ ক্যাপ, পার্পল ক্যাপ এবং মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার প্রতিটি পুরস্কারের জন্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়। এমার্জিং প্লেয়ার পান প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে অন্যান্য বিশেষ পুরস্কার মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি টাকার কাছাকাছি অতিরিক্ত পুরস্কারও আলাদা করে দেওয়া হয়। এই কারণেই যেকোনও তরুণ ক্রিকেটারের কাছে আইপিএল খেলা স্বপ্নের মতো।

 

  • সর্বশেষ