শিরোনাম
◈ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ থেকে ‘সাদা মহিষ’, নাম ও বানান বিতর্কে পদ হারালেন জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ◈ যশোরের রাজারহাটে চামড়ার দাম নিয়ে হতাশা, আবারও বাজার ধসের শঙ্কা ◈ বাংলাদেশসহ বিশ্বের আকাশে আজ রাতে দেখা মিলতে পারে বিরল ‘ব্লু মুন' ◈ ১০ মিটারের মধ্যে এলেই 'নীরব মৃত্যু' : ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীকে কোণঠাসা করছে ঘাতক রোবট ◈ শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র লিখেছিলেন কিন্তু তিনি জমা দিয়ে যেতে পারেন নাই, ভ্যানিটি ব্যাগে করে নিয়ে গেছেন: মতিউর রহমান চৌধুরী ◈ চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা ও আবাসন থেকে বঞ্চিত করে যেভাবে অভিবাসীদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প ◈ নতুন জীবনের খোঁজে দেশ ছাড়ছেন আমেরিকানরা, পরামর্শ নিতে খরচ করছেন শত শত ডলার ◈ বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে অমিত শাহর ‘ব্লুপ্রিন্ট’, কী আছে পরিকল্পনায়? ◈ রোবটের শক্তিতে পাল্টে যাচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধ, রাশিয়া পড়েছে রক্ষণাত্মক অবস্থানে (ভিডিও) ◈ নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার: ডিএনএ পরীক্ষায় স্তন ক্যানসারের অনেক রোগীর আর লাগবে না কেমোথেরাপি

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২৬, ০৪:০১ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আইপিএল ফাইনাল: শিরোপার সঙ্গে কত টাকা পুরস্কার?

বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে ধনী টি-টোয়েন্টি লিগ আইপিএল। চলতি মৌসুমে আর্থিক দিক থেকে রয়েছে বড়সড় চমক। বিশেষ করে ফাইনালের পুরস্কারমূল্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আজ রোববার সন্ধ্যায় শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং গুজরাট টাইটান্স। প্রশ্ন হল, চ্যাম্পিয়ন দল কত পাবে? রানার্স দলের পকেটেই বা ঢুকবে কত?

এই মৌসুমে শুরুর আগে প্রতিটি দলের জন্য নিলামের বাজেট ছিল ১২৫ কোটি টাকা, যা বাড়তে বাড়তে চলতি বছর পৌঁছেছে ১৫১ কোটি টাকায়। শুধু দল নয়, পুরো টুর্নামেন্টের পুরস্কার মূল্যও বেড়েছে। শীর্ষ চার দলের জন্য মোট ৪৬.৫ কোটি টাকা পুরস্কার হিসাবে রাখা হয়েছে।

চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২০ কোটি টাকা। রানার্স-আপ পাবে ১৩ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে থাকা রাজস্থান রয়্যালসের পকেটে ঢুকবে ৭ কোটি। চতুর্থ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ পাবে ৬.৫ কোটি। তবে এই পুরস্কারের পুরো টাকা দল নিজেদের কাছে রাখতে পারে না। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, অন্তত ৫০ শতাংশ অর্থ খেলোয়াড়দের মধ্যে ভাগ করে দিতে হয়। ফলে ক্রিকেটাররা নিজেদের চুক্তির বাইরেও অতিরিক্ত আয় করেন।

একটি দল যদি পুরো মৌসুমে ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে মোট ১৭টি ম্যাচ খেলে, তাহলে একজন খেলোয়াড়ের অতিরিক্ত আয় অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। ম্যাচ ফি, জয়ের বোনাস ও অন্যান্য পারফরম্যান্স ইনসেন্টিভ মিলিয়ে এই বাড়তি আয় প্রায় ১.২৭ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। এমনকি তুলনামূলকভাবে কম দামের ক্রিকেটাররাও পুরো মৌসুম শেষে ভালো পারফরম্যান্স ও দলের সাফল্যের কারণে প্রায় ১.৩৫ কোটি টাকা বা তারও বেশি রোজগার করতে পারেন। এটাই আইপিএলের ক্যারিশমা।

এছাড়া ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের জন্যও আলাদা আলাদা পুরস্কার দেওয়া হয়, যা খেলোয়াড়দের আয় আরও বাড়িয়ে দেয়। অরেঞ্জ ক্যাপ, পার্পল ক্যাপ এবং মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার প্রতিটি পুরস্কারের জন্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়। এমার্জিং প্লেয়ার পান প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে অন্যান্য বিশেষ পুরস্কার মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি টাকার কাছাকাছি অতিরিক্ত পুরস্কারও আলাদা করে দেওয়া হয়। এই কারণেই যেকোনও তরুণ ক্রিকেটারের কাছে আইপিএল খেলা স্বপ্নের মতো।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়