শিরোনাম
◈ মাঠে সারের হাহাকার, ডিলারশিপে লাখ টাকার বাণিজ্য; কৃষকদের ‘খাদ্যযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি সংসদে ◈ সংসদে উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে তর্ক-বিতর্ক, বিচার বিভাগ নিয়েও উদ্বেগ ◈ জাল কাগজে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার বের করে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ ◈ আর্জেন্টিনার নতুন অ‌ধিনায়ক রো‌মে‌রো ◈ জু‌নিয়র নারী এশিয়া কাপ হ‌কি‌তে বাংলাদেশের গোল উৎসব, হংকংয়ের জালে ৬ গোল  ◈ উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে কঠোর সরকার, সমস্যা নিরসনে ১৩ দফা পদক্ষেপ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে আসবে ২০% বিদ্যুৎ : প্রধানমন্ত্রী ◈ বিগত সরকারের প্রকল্পে দুর্নীতি, তদন্ত শেষে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী ◈ তিন দেশ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানি করছে সরকার ◈ হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, খুলবে সম্ভাবনার নতুন দ্বার

প্রকাশিত : ০৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৪ দুপুর
আপডেট : ০৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তুরস্কের ফুটবল অঙ্গনে জুয়ার কেলেঙ্কারি ফাঁস: ১৭ জন রেফারি সহ ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

তুরস্কের ফুটবল অঙ্গনে বড় ধরনের জুয়ার কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দেশটির প্রসিকিউটররা ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ১৭ জন রেফারি ও শীর্ষ লিগের একটি ক্লাবের সভাপতি। 

ইস্তানবুলের প্রধান প্রসিকিউটর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইস্তানবুলসহ ১২টি প্রদেশে ভোরে সমন্বিত অভিযানে অন্তত ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে। রেফারিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ—‘দায়িত্বের অপব্যবহার’ ও ‘ম্যাচের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা’।

ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন তুরস্ক সুপার লিগের ক্লাব আইউপস্পোরের সভাপতি মুরাত ওজকায়া এবং কাসিমপাসার সাবেক মালিক ফাতিহ সারাচ। কাসিমপাসা ক্লাবটি গত সেপ্টেম্বর থেকেই ট্রাস্টির অধীনে রয়েছে, কারণ ক্লাবটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির অপর একটি মামলার তদন্ত চলছে।

এই কেলেঙ্কারি সামনে আসে যখন গত সপ্তাহে তুরস্ক ফুটবল ফেডারেশন (টিএফএফ) হঠাৎ করে ১৪৯ জন রেফারি ও সহকারী রেফারিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। ফেডারেশনের সভাপতি ইব্রাহিম হাজিওসমানওগ্লু জানান, সরকারি তদন্তে দেখা গেছে ৫৭১ জন সক্রিয় রেফারির মধ্যে ৩৭১ জনেরই বেটিং কম্পানিতে অ্যাকাউন্ট আছে!

এর মধ্যে ১৫২ জন রেফারি সরাসরি ফুটবল ম্যাচে বাজি ধরেছেন, যাদের মধ্যে ৭ জন শীর্ষ পর্যায়ের রেফারি ও ১৫ জন সহকারী রেফারি।

আরো চমকপ্রদ তথ্য দিয়ে হাজিওসমানওগ্লু বলেন, ‘কিছু রেফারি পাঁচ বছরে ১০ হাজারের বেশি ম্যাচে বাজি ধরেছেন। একজন রেফারি তো ১৮,২২৭টি ম্যাচে বাজি ধরেছেন!’

সূত্র: কালের কণ্ঠ 

  • সর্বশেষ