শিরোনাম
◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী

প্রকাশিত : ০৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:৪৬ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইয়াকুব (আ.) কেন হজরত ইউসুফ (আ.)-কে বেশি ভালোবাসতেন?

হজরত ইয়াকুব (আ.)-এর ১২জন সন্তানের একজন ছিলেন হজরত ইউসুফ (আ.)। ইউসুফ (আ.)-এর ১২ ভাইয়ের মধ্যে ১০জন ছিলেন অন্য মায়ের এবং তিনি ও তার ভাই বিন ইয়ামিন ছিলেন এক মায়ের। শৈশবেই মা হারানোর কারণে ইউসুফকে কিছুটা বেশি স্নেহ করতেন হজরত ইয়াকুব (আ.)।

এ বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেননি ইউসুফ (আ.)-এর অন্য ভাইয়েরা। তারা ক্রমেই ইউসুফ (আ.)-এর প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে উঠেন। তারা ক্রমেই ইউসুফ (আ.)-এর প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে ওঠে।

ভাইয়েরা পরামর্শ করে ইয়াকুব (আ.)-এর কাছে খেলার কথা বলে ইউসুফ আলাইহিস সালামকে দূরে নিয়ে গেল এবং সেখাকে তাকে কূপে ফেলে দিল। 

ছেলে ইউসুফকে হারিয়ে একেবারেই হতোদ্যম হয়ে পড়েন ইয়াকুব (আ.)। দীর্ঘ সময় তিনি ছেলের জন্য শোক প্রকাশ করেন। ফলে তার দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। হজরত ইয়াকুব (আ.) নবী ছিলেন, নবীদের জন্য সন্তান ও ঘর সংসারের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা শোভনীয় নয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা সন্তান-সন্তুতিকে ’ফিতনা’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, তোমাদের ধনসম্পদ ও সন্তান-সন্ততি ফিতনা ও পরীক্ষা। কিন্তু এরপরও নবী ইয়াকুব (আ.) তার সন্তান ইউসুফকে ভালোবাসতেন কীভাবে?

Advertisement

কাযী সানাউল্লাহ পানিপথী (রহ.) তাফসীরে মাযহারীতে এ প্রশ্ন উল্লেখ করে হজরত মুজাদ্দিদে আলফেসানীর এক বিশেষ বক্তব্য উদ্ধৃত করেছেন। এর সারমর্ম হলো

অবশ্যই সংসার ও সংসারের উপকরণাদির প্রতি ভালোবাসা নিন্দনীয়। কোরআন ও হাদীসের অসংখ্য বর্ণনা এর পক্ষে সাক্ষ্য দেয়। কিন্তু সংসারের যেসব বস্তু আখিরাতের সাথে সম্পর্কযুক্ত, সেগুলোর প্রতি ভালোবাসা ও মহব্বত প্রকৃতপক্ষে আখিরাতেরই মহব্বত।

ইউসুফ (আ)-এর গুণ-গরিমা শুধু দৈহিক রূপ-সৌন্দর্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না বরং পয়গম্বরসুলভ পবিত্রতা ও চারিত্রিক সৌন্দর্যও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ সমষ্টির কারণে তার প্রতি নবী ইয়াকুব (আ.)-এর ভালোবাসা ও মহব্বত সংসারের মহব্বত ছিল না বরং প্রকৃতপক্ষে আখিরাতের প্রতিই ছিল এই মহব্বত।