শিরোনাম
◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী ◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’

প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩১ রাত
আপডেট : ০৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী

এবিপি আনন্দ: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। রাজ্যের তথ্যসংস্কৃতি দপ্তরের উপদেষ্টা করা হয়েছে তাকে। বুধবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে মিঠুনকে তথ্যসংস্কৃতি দপ্তরের উপদেষ্টা নিয়োগের কথা জানায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

এবিপি আনন্দের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভের পরই মিঠুনের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ভবিষ্য়তে মিঠুনকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন তিনি।

এদিন রাজ্য সরকারের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়, তাতে বলা হয়, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্যসংস্কৃতি বিভাগের উপদেষ্টা নিয়োগ করা হলো মিঠুন চক্রবর্তীকে, যা মন্ত্রীর পদমর্যাদার।’ এই মুহূর্ত থেকেই মিঠুনের কার্যকাল শুরু হলো বলে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে সই রয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের। তবে মিঠুন যে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে চলেছেন, তা আগেই বোঝা গিয়েছিল।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাফল্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন মিঠুন। জায়গায় জায়গায় সভা, প্রচার করেছিলেন তিনি। শুধু তাকে দেখতেই বিজেপির সভায় ভিড় দেখা গিয়েছিল প্রচুর মানুষের। নির্বাচনে জয়ের পর মিঠুনের অবদান মেনে নেন খোদ শুভেন্দু। মিঠুনকে পাশে নিয়ে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘ইনি (মিঠুন) অত্যন্ত নিঃস্বার্থভাবে পশ্চিমবঙ্গের গত ১৫ বছরের বিপর্যয় থেকে বাংলাকে বাঁচাতে, পশ্চিমবঙ্গের হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনতে, এখানকার রাষ্ট্রবাদীদের বাঁচাতে, বিশেষ করে মা-বোনেদের সুরক্ষিত রাখার জন্য নিরলস চেষ্টা করেছেন। ঐকান্তিক প্রয়াস ছিল। সীমা ছিল না তার পরিশ্রমের। এই নির্বাচনেও যদি সর্বোচ্চ সভা, রোড শো, এমনকী নির্বাচনের আগে ৮-১০ মাস ধরে ইনডোর মিটিং করেছেন। কোনো সাংবিধানিক পদ দিলেও নেন না মিঠুনদা। জাতীয় সদস্য তিনি। মাইক্রো লেভেলেও কাজ করেছেন প্রায় এক বছর ধরে। শেষ তিন-চার মাস সভার কোনো সংখ্যা নেই। আমি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি নিশ্চিতভাবে জনগণের ভোটে, আশীর্বাদে। বিজেপি মনোনীত করেছে। কিন্তু নেপথ্যের কারিগর হিসেবে যে কয়েকটা নাম আসে, তার মধ্যে মিঠুন চক্রবর্তী অন্যতম।’

সেই সময় শুভেন্দুকেও প্রশংসায় ভরিয়ে দেন মিঠুন। তার বক্তব্য ছিল, ‘আমি একটাই কথা বলব সবাইকে, এর থেকে ভালো মুখ্য়মন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে হতে পারে না। যে মুহূর্তে শপথ নিয়েছেন, তার পর থেকেই কাজ করছেন। আপনারা দেখুন। গ্যারান্টি দিয়ে বলছি, এর থেকে ভালো মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে হতে পারে না। আমরা আশীর্বাদধন্য যে, শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পেয়েছি। আগামীতেও কী হবে দেখুন। চ্যালেঞ্জ করছি। আগামীতে এই যোদ্ধা একের পর এক লড়াই লড়বেন। আর আমি তো পিছনে রইলামই।’

ছয় ও সাতের দশকে নকশাল আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন মিঠুন। তবে হাতেকলমে রাজনীতিতে পদার্পণ ঘটে তৃণমূলের হাত ধরে। তাকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের তদানীন্তন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দেন মিঠুন। ২০২১ সালের ৭ মার্চ যোগ দেন বিজেপিতে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেও বিজেপির হয়ে প্রচারে যোগ দেন তিনি।

  • সর্বশেষ