শিরোনাম
◈ মেসির বিদায়ী ম্যাচেও কেলেঙ্কারি, এএফএর বিরুদ্ধে ‘অর্থলোভী’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ! ◈ বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে নাঃখাদ্যমন্ত্রী ◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৫৯ রাত
আপডেট : ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাসে ৬০ লাখ আয় করতাম, টাকা আমার মাথা খারাপ করে দিয়েছিল: নোবেল

সংগীতজীবনের শুরুর দিকে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি বড় অঙ্কের টাকা আয় করেছিলেন সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। ২০১৯ সালে ‘সারেগামাপা’য় অংশ নেওয়ার পর মাসে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করেছেন বলে জানান তিনি। তবে অল্প বয়সে পাওয়া এই অর্থ ও জনপ্রিয়তা সামলাতে পারেননি নোবেল। তাঁর মতে, ‘এমন সময় ছিল, ব্যাংকে কয়েক কোটি টাকা ছিল। কোটি টাকা থাকলে ওই বয়সে মাথা ঠিক থাকে...।’

নোবেলের সংগীতজীবনের শুরু অবশ্য অনেক আগে। ছোটবেলায় বাবার আনা ক্যাসেট শুনে আইয়ুব বাচ্চু, জেমস ও হাসানের গান গাইতেন। ২০১৬ সালে গানকেই পেশা হিসেবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। গড়ে তোলেন ব্যান্ড, নিয়মিত অনুশীলন করেন। কোনো ওস্তাদের কাছে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গান শেখেননি তিনি।

২০১৯ সালের ‘সারেগামাপা’য় তৃতীয় হন নোবেল। এরপর মৌলিক গান ও চলচ্চিত্রের গানেও কাজ করেছেন। তবে গানের বাইরের নানা কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে একাধিকবার সংবাদ শিরোনাম হন তিনি।

নিজের সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে নোবেল বলেন, ‘আমি “সারেগামাপা”য় যখন জনপ্রিয়তা পাই, দুহাতে টাকা আসতে থাকে। মাসে এমনও হয়েছে, ৪০–৫০, এমনকি ৬০ লাখও পেতাম। অল্প বয়সী আমি, তখন মাত্র ২৪–২৫ বছর। এত টাকা আমাকে অস্থির করে তোলে। নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। বেখেয়ালি জীবনে জড়িয়ে পড়ি। টাকা আমার মাথা খারাপ করে তোলে।’

এখন সেই জীবন থেকে দূরে আছেন, এমনটাই দাবি নোবেলের। নোবেল জানান, গত ১০ মাসে জীবনে পরিবর্তন এসেছে। ছেলের জন্মের পর থেকেই এই বদলের শুরু। এখন গান ও ছেলেকে ঘিরেই তাঁর ব্যস্ততা। বলেন, ‘এখন আমি ওসব থেকে একেবারে দূরে। বলতে পারেন, এখন ছেলেই আমার আসল পিনিক। ওকে নিয়ে আমার সময় কেটে যায়। কী দারুণ সব গান হচ্ছে।’

সূত্র: প্রথম আলো

  • সর্বশেষ