শিরোনাম
◈ ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে ৭ ধরনের ক্যানসার বাড়ছে, গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য ◈ মেসির বিদায়ী ম্যাচেও কেলেঙ্কারি, এএফএর বিরুদ্ধে ‘অর্থলোভী’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ! ◈ বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে নাঃখাদ্যমন্ত্রী ◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:৩২ রাত
আপডেট : ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:৩২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইউএনও পান্না আক্তারের হস্তক্ষেপে উখিয়ায় শ্মশানের ভাঙচুর করা দেয়াল পুনর্নির্মাণ শুরু

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের উখিয়ার দারোগা বাজার কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের ভাঙচুর করা সীমানা প্রাচীর পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ কাজ শুরু হয়। এর আগে দেয়াল পুনর্নির্মাণ ও ভাঙচুরে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে দুর্গাপূজা থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছিল শ্মশান ও দুর্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদ।

কর্মসূচি ঘোষণার পর বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তিতে উদ্যোগ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক পান্না আক্তার। মঙ্গলবার সকালে তিনি উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু আবদুল্লাহ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে তাদের সম্মতিতে দেয়াল পুনর্নির্মাণের কাজ উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু করা হয়।

ইউএনও পান্না আক্তার বলেন, ‘এখানে সাম্প্রদায়িক কোনো উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড ছিল না। জায়গাজমির বিরোধ থেকেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’

শ্মশান ও দুর্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের দাবি, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে শ্মশানের দক্ষিণ পাশের সীমানা প্রাচীরের ১৫ ফুটের বেশি অংশ ভেঙে ফেলা হয়। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। শ্মশানের জায়গা জবরদখলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে দেয়াল ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের।

Advertisement

পরিচালনা পরিষদের ভাষ্য, ঘটনার পর ইউএনও ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে ইউএনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে থানায় ও ইউএনও কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।

পরিচালনা পরিষদের দাবি, স্থানীয়দের বক্তব্যের ভিত্তিতে সাহাব উদ্দিন (৬৫), মোসলেম উদ্দিন (৫৫), টুনু (৫২), তারেকুল ইসলাম রিফাত (২৫) ও জাহেদুর রহমান (২২)সহ অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে দেয়াল ভাঙচুরে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। তবে দীর্ঘ সময়েও দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে সংগঠনটি।

৪ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে পরিচালনা পরিষদ তিন দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। ৫ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি, ৮ অক্টোবরের মধ্যে দেয়াল পুনর্নির্মাণ ও আইনগত ব্যবস্থা না হলে দুর্গাপূজা থেকে বিরত থাকা এবং এরপরও দাবি পূরণ না হলে ১০ অক্টোবর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।

শ্মশান ও দুর্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক রতন কান্তি দে জানান,দারোগা বাজার কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে দুই শত বছরের বেশি সময় ধরে উখিয়ার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মরদেহ সৎকার হয়ে আসছে। পরিচালনা পরিষদের দাবি, শ্মশানের জমি সরকারি খাস জমি হিসেবে আরএস ও বিএস ১ নম্বর খতিয়ানে শ্মশানের নামে রেকর্ডভুক্ত।