শিরোনাম
◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী ◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’

প্রকাশিত : ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৯ রাত
আপডেট : ০৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৩ রাত

প্রতিবেদক : আর রিয়াজ

চাপের মুখে ইউরোপের অর্থনীতি

ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে

সিএনএন: ফ্রান্সে নজিরবিহীন শিক্ষার্থী বিক্ষোভ দেশটির ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি যখন বড় বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে, তখন সামাজিক অস্থিরতা, বাড়তে থাকা সরকারি ঋণ এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

ফ্রান্সের অর্থনীতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ এরই মধ্যে দেশটির বন্ডবাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। ফরাসি সরকারের ১০ বছর মেয়াদি বন্ডের সুদহার সেপ্টেম্বরে প্রায় ৭০ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে ২০০২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। জার্মানির বন্ডের তুলনায় ফরাসি বন্ডের সুদহারের ব্যবধানও ২০১২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

এ ধরনের পরিস্থিতি শুধু ফ্রান্সের জন্য নয়, পুরো ইউরোপীয় অঞ্চলের জন্যও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। কারণ ফ্রান্সের অর্থনীতি ও সরকারি ঋণবাজার এতটাই বড় যে দেশটির আর্থিক সংকট অন্য দেশগুলোর বাজারেও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদেরা।

ঋণের বোঝা বাড়ছে

Advertisement

ফ্রান্সের সরকারি ঋণ ইতোমধ্যে অর্থনীতির আকার ছাড়িয়ে গেছে। জুনে দেশটির সরকারি ঋণের পরিমাণ ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ছিল। একই সঙ্গে বন্ডের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় ওই ঋণের সুদ পরিশোধের খরচও গত বছরের তুলনায় কয়েক বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।

অন্যদিকে সরকারের ব্যয়ের চাপও বাড়ছে। জনসংখ্যার বয়স বাড়ার কারণে পেনশন খাতে ব্যয় বাড়ছে। একই সময়ে ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে প্রতিরক্ষা খাতেও বেশি অর্থ ব্যয় করতে চাইছে ফ্রান্স।

এর বাইরে শিক্ষা খাতেও বিনিয়োগের দাবি জোরালো হয়েছে। দেশটির উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষকসংকট, অতিরিক্ত শিক্ষার্থীসমৃদ্ধ শ্রেণিকক্ষ এবং জরাজীর্ণ স্কুল অবকাঠামোর সংস্কারের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করছে।

ফলে একদিকে ব্যয় কমিয়ে বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণের চাপ, অন্যদিকে নাগরিকদের বিভিন্ন খাতে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর দাবি- এই দুইয়ের মধ্যে আটকে পড়েছে ফরাসি সরকার।

বাজেট ঘাটতি কমাতে গিয়ে সামাজিক অস্থিরতা

ফ্রান্সে সরকারি ব্যয় কমানো বা রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগ অতীতেও ব্যাপক সামাজিক প্রতিরোধ তৈরি করেছে। ২০২৩ সালে অবসরের বয়স বাড়ানোর সরকারি উদ্যোগের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছিল।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সরকার আবারও কঠোর আর্থিক পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। গত সপ্তাহে বাজেট ঘাটতি কমাতে বড় ধরনের ব্যয় সংকোচন ও কর বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার।

কিন্তু আগামী বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে থাকায় এসব পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত কতটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে বন্ডবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের প্রধান ইউরোপীয় অর্থনীতিবিদ অ্যান্ড্রু কেনিংহ্যামের মতে, নির্বাচনের আগে আইনপ্রণেতারা সরকারের আর্থিক সংস্কারের প্রস্তাব দুর্বল করে দিতে পারেন। এতে ঘাটতি কমানোর পরিকল্পনা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় ফ্রান্সের বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা নিয়ে বাজারের উদ্বেগ বাড়ছে।

নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা

আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ফ্রান্সের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আরও চাপ তৈরি করতে পারে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দেশটির অর্থনৈতিক নীতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের কেনিংহ্যাম মনে করেন, নির্বাচনের পর সরকারের আর্থিক নীতিতে আরও জনতুষ্টিবাদী প্রবণতা দেখা দিতে পারে। এতে ফ্রান্সের সরকারি বন্ডের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

তবে দেশটির ডানপন্থী ন্যাশনাল র‍্যালি সম্প্রতি সরকারি অর্থব্যবস্থা স্থিতিশীল করতে বড় ধরনের ব্যয় কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে। একই সঙ্গে দলটি উল্লেখযোগ্য কর কমানোর অবস্থানও ধরে রেখেছে। ফলে তাদের আর্থিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে বাজারে প্রশ্ন রয়েছে।

ফরাসি বন্ডবাজারে বড় ধাক্কা

ফ্রান্সের সম্ভাব্য ঋণসংকট নিয়ে উদ্বেগ গত সপ্তাহে বড় আকার নেয়। বিনিয়োগকারীরা ফরাসি সরকারি বন্ড বিক্রি করতে শুরু করলে বন্ডের দাম কমে এবং সুদহার দ্রুত বেড়ে যায়।

ফরাসি ও জার্মান ১০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদহারের ব্যবধান ২০১২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এই ব্যবধানকে বাজারে ফ্রান্সের ঋণের ঝুঁকির একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হয়।

সহজভাবে বললে, জার্মানির তুলনায় ফ্রান্সের ঋণকে এখন বিনিয়োগকারীরা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন। ফলে ফরাসি সরকারকে ঋণ নিতে বেশি সুদ দিতে হচ্ছে।

অক্টোবরের শুরুতে এই ব্যবধান প্রায় ১৬০ বেসিস পয়েন্টে পৌঁছেছিল বলে রয়টার্স জানিয়েছে। একই সময়ে ফরাসি ১০ বছর মেয়াদি বন্ডের সুদহার ২০০২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে।

ইউরোপের অন্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

ফ্রান্সের বন্ডবাজারে অস্থিরতা এরই মধ্যে ইউরোপের অন্যান্য ঋণবাজার নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে যেসব দেশের সরকারি ঋণের পরিমাণ বেশি, তাদের বন্ডে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি নেওয়ার আগ্রহ কমে যেতে পারে।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের প্রধান ইউরোপীয় অর্থনীতিবিদ অ্যাঞ্জেল তালাভেরার মতে, ফ্রান্সের অর্থনীতির আকার ও ইউরোপীয় ব্যবস্থায় এর গুরুত্বের কারণে দেশটির সংকট অন্য দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্য।

ইউরোজোনের আগের ঋণসংকটের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনাও করছেন কিছু বিশ্লেষক। যদিও বর্তমান বাজারের ঝুঁকি এখনও ২০১০-এর দশকের শুরুতে গ্রিস ও ইতালিকে ঘিরে তৈরি হওয়া সংকটের পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

তবু ফ্রান্সের মতো বড় অর্থনীতির দেশে ঋণসংকট তৈরি হলে এর প্রভাব শুধু একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না- এটাই বাজারের মূল উদ্বেগ।

ইউরোর ওপরও চাপ

ফ্রান্সের ঋণ নিয়ে উদ্বেগের প্রভাব ইউরোর ওপরও পড়েছে। গত সোমবার ইউরো ডলারের বিপরীতে ২০২৫ সালের মে মাসের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায় এবং সাময়িকভাবে ১ দশমিক ১২ ডলারের নিচেও চলে যায়।

ফ্রান্সের বন্ডবাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হওয়ায় বুধবারও ইউরো ১৭ মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ের দিকে নেমে যায়। একই সময়ে ফরাসি ১০ বছর মেয়াদি বন্ডের সুদহার আবারও দ্রুত বাড়ে।

বাজারে আশঙ্কা হচ্ছে, ফ্রান্সের আর্থিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ইউরোজোনের সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতার ওপরও চাপ বাড়তে পারে।

এখনও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় ইউরোপের অর্থনীতি

ফ্রান্সের সমস্যা এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন ইউরোপের অর্থনীতি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিনিয়োগ, ইউরোপীয় পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি এবং জার্মানিতে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর মতো বিষয়গুলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কিছুটা গতি ফিরিয়েছে।

সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, গত মাসে ইউরো অঞ্চলের উৎপাদন ও সেবা খাতে কার্যক্রম প্রায় সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দ্রুততম গতিতে বেড়েছে।

মরগ্যান স্ট্যানলির অর্থনীতিবিদেরা সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এক বিশ্লেষণে বলেছিলেন, ইউরোপের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষণ দেখাচ্ছে এবং অঞ্চলটি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপকতা দেখিয়েছে। তবে উচ্চ বন্ড সুদহার এই পুনরুদ্ধারের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাড়তে পারে ঋণ নেওয়ার খরচ

বন্ডের সুদহার বাড়লে তার প্রভাব শুধু সরকারের ওপর পড়ে না। সামগ্রিক অর্থনীতিতেও ঋণ নেওয়ার খরচ বেড়ে যায়।নেদারল্যান্ডসের ব্যাংক আইএনজির ম্যাক্রোইকোনমিকস বিভাগের প্রধান কার্স্টেন ব্রজেস্কির মতে, সরকারগুলো যদি ব্যয় কমাতে না পারে, তাহলে সুদের হার আরও বাড়তে থাকবে।

উচ্চ বন্ড সুদহারের কারণে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ঋণ নেওয়ার খরচও বাড়ে। এর ফলে বাড়ি ও গাড়ি কেনার ঋণ ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে এবং ব্যবসায়িক বিনিয়োগ কমে যেতে পারে।

সরকারের জন্যও নতুন ঋণ নেওয়া কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় বাড়ায় সরকারকে আরও ব্যয় সংকোচনের পথে যেতে হতে পারে, যা আবার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ তৈরি করতে পারে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের সরকারি বন্ডের সুদহার বহু বছরের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। ফলে ইউরোপের দেশগুলোর সরকারি ঋণের স্থায়িত্ব নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

বড় প্রশ্ন- ফ্রান্স কি সংকট সামলাতে পারবে?

ইউরোপের অর্থনীতির জন্য এখন মূল প্রশ্ন হলো, ফ্রান্স রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ সামলে প্রয়োজনীয় আর্থিক সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারবে কি না।

একদিকে বাজেট ঘাটতি কমাতে ব্যয় সংকোচন জরুরি, অন্যদিকে এমন পদক্ষেপই সাধারণত সামাজিক অসন্তোষ বাড়ায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং দলগুলোর ভিন্ন ভিন্ন অর্থনৈতিক অবস্থান।

অন্যদিকে বাজার ইতোমধ্যে ফ্রান্সের ঋণের জন্য বাড়তি ঝুঁকি-প্রিমিয়াম দাবি করছে। বুধবারও ফরাসি ১০ বছর মেয়াদি বন্ডের সুদহার প্রায় ৪.৯ শতাংশে উঠে যায়।

ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান এম্যানুয়েল মুলাঁ অবশ্য বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটির ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) সহায়তা প্রয়োজন নেই। তার মতে, সমাধান ফ্রান্সের নিজস্ব আর্থিক নীতির মধ্যেই খুঁজে নিতে হবে।

তবে অর্থনীতিবিদদের উদ্বেগের জায়গাটি স্পষ্ট- ফ্রান্সের মতো বড় অর্থনীতির সরকারি ঋণবাজারে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা তৈরি হলে তা ইউরোপের অন্য ঋণবাজার, ইউরো এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ওপরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ফলে ফ্রান্সের বর্তমান সংকট এখন আর শুধু প্যারিসের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সমস্যা নয়; এর গতিপথ ইউরোপের আর্থিক বাজারের স্থিতিশীলতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। 

  • সর্বশেষ