শিরোনাম
◈ বয়স্ক ভাতা আনতে গিয়ে জানতে পারেন সরকারি খাতায় তিনি মৃত, ৯ বছর ধরে নিজেকে জীবিত প্রমাণের লড়াই কাশেমের ◈ সেঞ্চু‌রি না পে‌য়ে হতাশ শান্ত ও মুশফিক, আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে চালকের আসনে বাংলাদেশ ◈ বিএনপিতে অপকর্মে জড়ালে ছাড় নয়, চাঁদাবাজি-দখলদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: এমপিদের কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর ◈ নাটোর রেলস্টেশন থেকে জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপটি উদ্ধার (ভিডিও) ◈ নানা পাটেকরের কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল? ময়নাতদন্তে যা জানা গেল ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা, যাত্রী টার্মিনালে আগুন; ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্লাইট স্থগিত ◈ গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকা করতে জীবিত গরু ও হালাল মাংস আমদানির দাবি ◈ সরকারিভাবে এখন থেকে পালিত হবে ৯২টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস ◈ ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি যৌতুক নয়, হাইকোর্টে খালাস পেলেন দণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী ◈ কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৬:৫১ বিকাল
আপডেট : ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরের লোকালয়ে দলছুট হনুমান, দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়

হারুন-অর-রশীদ, ​ফরিদপুর প্রতিনিধি: লোকালয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে দলছুট একটি কালামুখো হনুমান। খাবারের সন্ধানে এসে গত কয়েক দিন ধরে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার কুসুমদী গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় বিচরণ করছে প্রাণীটি।

​কখনও গাছের ডালে, কখনও ঘরের চালে, আবার কখনও বাড়ির সীমানা প্রাচীরে বসে থাকছে মুখপোড়া এ বন্য প্রাণী। তাকে একনজর দেখতে আর খাবার খাওয়াতে ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন বয়সী কৌতূহলী মানুষ।

​রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে পৌরসভার কালিবাবু রোড এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হনুমানটিকে ঘিরে উৎসুক জনতার দারুণ কৌতূহল। বিশেষ করে শিশুরা প্রাণীটির চলাফেরা বেশ উপভোগ করছে। অনেকে দূর থেকে দেখছেন, আবার কেউ কেউ হাতে কলা ও অন্যান্য খাবার নিয়ে কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এভাবে ধীরে ধীরে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রাণীটির এক ধরনের সখ্য গড়ে উঠেছে।

​আলফাডাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী মিহির হোসেন বলে, “বিকেলে হনুমানটিকে দেখতে এসেছি এবং তাকে নিজ হাতে কলা খেতে দিয়েছি।”

Advertisement

​রাজ কুমার নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমাদের আলফাডাঙ্গায় সচরাচর হনুমান দেখা যায় না। মূলত খাবারের খোঁজেই প্রাণীটি লোকালয়ে চলে এসেছে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছে একে একনজর দেখতে।”

​তবে পরিবেশপ্রেমী ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা বন্য প্রাণীটিকে বিরক্ত না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, কৌতূহলের বশে প্রাণীটিকে ধাওয়া করা, ঢিল মারা বা খুব কাছে গিয়ে আতঙ্কিত করা উচিত নয়। এতে প্রাণীটি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে।

​এ বিষয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা শেখ লিটন জানান, “দলছুট হয়ে হনুমানটি লোকালয়ে চলে এসেছে। তাকে কেউ উত্যক্ত বা আঘাত না করলে খাবার খেয়ে সে নিজে থেকেই নিরাপদ সময়ে তার প্রাকৃতিক আবাসে ফিরে যাবে।”

​স্থানীয় সচেতন মহলের প্রত্যাশা, বন্য প্রাণীটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাই যেন দায়িত্বশীল আচরণ করেন এবং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেই তাকে বিচরণ করতে দেন।

  • সর্বশেষ