শিরোনাম
◈ ডেঙ্গু মোকাবিলায় এবার কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাহায্য চাইলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ◈ বদলে গেলো আবাহনী মাঠের নাম ◈ প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিব হলেন সাইফুল ইসলাম জয় ◈ বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম, দেশে ভরি কত চলছে ◈ সিগারেটের নতুন দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন, কোন সিগারেটের দাম কত? ◈ এইচএসসি শুরুর আগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার সিদ্ধান্ত ◈ রাজধানীর লেক রক্ষায় সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৩৪৩ ◈ যেসব এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না ◈ নতুন শুল্ক ইস্যু: যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া সতর্কবার্তা ভারতের

প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:১৪ বিকাল
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:১৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাকে 'আন্টি' বলে ডাকতো, শিশুপুত্রকে কুপিয়ে হত্যা করলেন মা

আরমান কবীর: টাঙ্গাইলের সখীপুরে আশরাফুল (৩) নামে এক শিশুকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর মা আকলিমা বেগমের (৩৫) বিরুদ্ধে। 

এ সময় তাঁর আরেক মেয়ে সিদরাতুলকে (৮) ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে আকলিমা আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছে পরিবার।

advertisement

বুধবার(১৬ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়নের খালিয়ার বাইদ (মুজিবনগর মোড়) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে আকলিমাকে হেফাজতে নিয়েছে সখীপুর থানা-পুলিশ।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহিন মিয়ার প্রথম স্ত্রী নাসিমা আক্তারের সন্তান না হওয়ায় তিনি চার বছরের এক মেয়েসহ আকলিমাকে বিয়ে করেন। পরে আকলিমার ঘরে আশরাফুলের জন্ম হয়। শিশুটির বয়স ৪০ দিন হওয়ার পর আকলিমা তাঁকে প্রথম স্ত্রী নাসিমার কাছে রেখে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতে যান। এরপর নাসিমার কাছেই বড় হয় আশরাফুল।

advertisement

স্থানীয়রা জানান, আশরাফুল নাসিমাকে ‘বড় মা’ এবং আকলিমাকে ‘আন্টি’ বলে ডাকত।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার রাতে আকলিমা তাঁর ছেলে আশরাফুল ও মেয়ে সিদরাতুলকে ছুরিকাঘাত করেন। এতে আশরাফুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সিদরাতুলও গুরুতর আহত হয়েছে।

advertisement

ঘটনার পর আকলিমা আত্মহত্যার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাঁকে বাড়ির উঠানে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন। সকালে পুলিশ গিয়ে তাঁকে হেফাজতে নেয়।

শিশুটির বাবা শাহিন মিয়া বলেন, ‘প্রায় ৩০ বছর পর আল্লাহ আমাকে একটি পুত্রসন্তান দান করেছিলেন। সেই সন্তানকে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী এভাবে হত্যা করেছে। এটা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। শুধু আমার সন্তানই নয়, আকলিমার আগের ঘরের মেয়ে সিদরাতুলকেও গুরুতর আহত করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।’

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুরাদ হোসেন জানান, ‘ঘটনাস্থল সখীপুর ও ভালুকা থানার মধ্যবর্তী এলাকায়। ঘটনার পর শিশুটিকে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছিল। তার মরদেহ সেখানেই রয়েছে। নিরাপত্তা ও চিকিৎসার স্বার্থে শিশুটির মাকে সখীপুর থানা-পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অন্যান্য আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

  • সর্বশেষ