স্পোর্টস ডেস্ক : ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে সরাতে কার্যত একজোট বিশ্বের একাধিক মহাদেশ। একের পর এক বিতর্কে কার্যত নাস্তানাবুদ ইনফান্তিনো। ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা তাঁর বিরোধিতা করছে।
ফিফা কাউন্সিলের ৩৭ সদস্যের সবাই তাঁর পক্ষে নেই। ফুটবল মহলে অনেকে ইনফান্তিনোর বিরোধিতা করলেও রাজনৈতিক মহলের একজনকে পাশে পাচ্ছেন। তিনি হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইনফান্তিনোর পাশে দাঁড়িয়ে ফিফাকে বার্তা দিয়ে রাখলেন ট্রাম্প। শুধুই কি বার্তা, নাকি প্রচ্ছন্ন হুমকি?-- সূত্র, সংবাদপ্রতিদিন
প্রথমে বিশ্বকাপে বিতর্ক। তারপর বিশ্বকাপ বিক্রির ‘চক্রান্ত’। সম্প্রতি পরকীয়ার অভিযোগ। অভিযোগ, উয়েফার সাধারণ সচিব থাকাকালীন এক কর্মীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। এমনকী সংস্থার ভাঁড়ার থেকে প্রাক্তন প্রেমিকাকে উপহার দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বকাপ বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে তিন মহাদেশ একত্রিত সুরে প্রতিবাদ করেছে। আসলে, বিশ্বকাপ বিক্রি হলে লাভবান হতেন ট্রাম্পের জামাইয়ের পরিবার। সেটা ধাক্কা খেয়েছে।
তারপরই সোশাল মিডিয়ায় সক্রিয় হয়ে উঠলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সোমবার নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ট্রাম্প লেখেন, ফিফা যদি কোনও কারণে প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে সরানোর কথা ভাবে, তাহলে সেটি হবে মারাত্মক ভুল সিদ্ধান্ত। তিনি আরও জানিয়েছেন, ইনফান্তিনোর নেতৃত্বেই সবচেয়ে সফল বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছে। তাই তিনি সরে গেলে ফিফা আর কখনও সফল হতে পারবে না। এ কি শুধুই সমর্থন? নাকি ফুটবল মহলকে প্রচ্ছন্ন হুমকি?
এর আগে ফিফা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ফিফার দাবি, সংস্থাকে দুর্বল করার জন্য পরিকল্পিত সমালোচনা চালানো হচ্ছে। ফিফা জানায়, ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে কারও আপত্তি থাকলে তা ফিফার নিয়ম মেনে গণতান্ত্রিক ভাবেই জানাতে হবে। ট্রাম্পের অবস্থানের বিরোধিতা করেছে আমেরিকার ফুটবল ফেডারেশন। সব মিলিয়ে ট্রাম্পকে পাশে পেলেও ইনফান্তিনোর আসন টলমল।