স্পোর্টস ডেস্ক : প্রায় দুই যুগ পর জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে হোয়াইটওয়াশের শঙ্কা জেগেছিল বাংলাদেশের। অন্তত প্রথম দুই ম্যাচে টাইগাররা যেভাবে ব্যাটিং করেছেন, শঙ্কা জাগা অমূলক ছিল না। তবে তৃতীয় ওয়ানডেতে তানজিদ হাসান তামিম-সৌম্য সরকাররা করলেন দারুণ ব্যাটিং। তাতেই স্বস্তির জয় পায় বাংলাদেশ।
আগে ব্যাট করে ১৯৯ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। জবাবে ৮৪ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেয় টাইগাররা।
রান তাড়ায় বাংলাদেশকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন সৌম্য ও তামিম। দুজনেই করেছেন দারুন ব্যাটিং। শুরুতে সৌম্য দেখেশুনে খেললেও তামিম ছিলেন সাবলীল। জিম্বাবুয়ের বোলারদের বাজে বল পেলেই মেরেছেন বাউন্ডারি।
অবশ্যই দিন তিন তারকা পেসার রিচার্ড এনগারাভা, ব্লেসিং মুজরাবানি ও নিয়ামুরিকে ছাড়াই মাঠে নামে জিম্বাবুয়ে। যার খেসারত দিতে হয়েছে তাদের। মূলত সৌম্য ও তামিমের ব্যাটে জয়ের ভীত পেয়ে যায় বাংলাদেশ। ১৫১ রানে ভাঙ্গে প্রথম জুটি। ৮২ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৬৯ রান করে ফেরেন সৌম্য।
তামিম ফিরেছেন সেঞ্চুরি মিসের হতাশা নিয়ে। ১০১ বলে ৮ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৯৪ রান করেন টাইগার ওপেনার। তামিম যখন ফেরেন তখন বাংলাদেশের রান ১৯৭। চারে নামা তাওহীদ হৃদয় মেরেছেন ডাক। এরপর বাকি কাজটুকু সারেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও নুরুল হাসান সোহান।
এর আগে হারারেতে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। পেস সহায়ক উইকেটের ফায়দা নিতে চেয়েছিলেন তিনি। তাকে অবশ্য হতাশ করেননি পেসাররা। ২৭ রানের মধ্যে ৩ উইকেট তুলে নেন শরীফুল ইসলামরা।
এরপর প্রতিরোধ গড়েন ওয়েসলি মাধেভেরে ও ইনোসেন্ট কাইয়া। দুজনেই শুরুর ধাক্কা সামাল দেন। ৬৭ বলে ২৫ রান করে ফেরেন কাইয়া। তাতে ভাঙে দুজনের ৫১ রানের জুটি।
মাধেভেরে করেছেন দারুণ ব্যাটিং। ৭৪ বলে ৭৫ রান করেছেন তিনি। মাধেভেরেকে ফিরিয়েছেন তানভীর ইসলাম।
শেষের দিকে দারুণ ব্যাটিং করেছেন ব্রাড ইভান্স। গত ম্যাচে ফিফটির দেখা পাওয়া ডানহাতি এ ব্যাটার এদিনও করেছেন অর্ধশতক। ৪৩ বলে ৫০ রান করেছেন তিনি।
বাংলাদেশের হয়ে ৯.৪ ওভারে ৪টি উইকেট নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম।