শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ১১ জুলাই, ২০২৬, ০৭:৫৫ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজস্ব ও ব্যাংকিং সংস্কারে জোর, নতুন ঋণ নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা শুরু

নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং দল আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার সঙ্গে আলোচনায় বসবে।

এ আলোচনার উদ্দেশ্য অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি এবং এ পর্যন্ত সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা করা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশের জন্য নতুন ঋণ কর্মসূচি আগামী জানুয়ারি থেকে শুরু করতে পারে আইএমএফ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, আগে আইএমএফের ঋণ বা কিস্তি পর্যালোচনায় মিশনগুলো অন্তত ১৫ দিন ধরে আলোচনা করত, সেখানে এবারের মিশনটি তুলনামূলক সংক্ষিপ্ত হচ্ছে। সর্বোচ্চ ৫ দিন এই আলোচনা চলবে।

Advertisement

অক্টোবরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার ফাঁকে নতুন এই ঋণ কর্মসূচির প্রাথমিক আলোচনা শুরু হবে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন ওই কর্মকর্তা।

এরপর আইএমএফ মিশন বাংলাদেশ সফর করবে। মূল সংস্কার কর্মসূচি ও ঋণের পরিমাণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে অক্টোবরের শেষভাগে বা নভেম্বরের দিকে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, অগ্রগতি সন্তোষজনক হলে নতুন ঋণ প্রস্তাব আগামী বছরের জানুয়ারিতে অনুমোদনের জন্য আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডে উত্থাপন করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা গত ৯ জুলাই ডেইলি স্টারকে জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটকেও আইএমএফের সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে।

আইএমএফের চাওয়া ছিল, কর ও জিডিপির অনুপাত ৯ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করা এবং বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৪ শতাংশের নিচে রাখা। এর আগে, জাতীয় বাজেটে ঘাটতি ৫ শতাংশ পর্যন্ত রাখার সুযোগ দেওয়া হতো, যদিও বাস্তবায়নের সময় তা সাধারণত ৪ শতাংশের নিচেই থাকত।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আগের ঋণ কর্মসূচির অসমাপ্ত সংস্কারগুলোর সঙ্গে নতুন সরকারের অগ্রাধিকারমূলক নীতিমালার সমন্বয় করে নতুন ঋণ কর্মসূচি সাজানো হতে পারে।

গত মাসে এক বিবৃতিতে ইভো ক্রজনার বলেন, 'যেকোনো নতুন চুক্তি হতে হবে বাংলাদেশের ব্যালেন্স অব পেমেন্ট (লেনদেনের ভারসাম্য) সংক্রান্ত প্রয়োজন এবং নির্ভরযোগ্য সংস্কার এজেন্ডার ওপর ভিত্তি করে, শক্তিশালী নীতিগত অঙ্গীকারের আলোকে।'

'ঋণ কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে আইএমএফের নীতিমালা ও নির্বাহী বোর্ডের অনুমোদনের ওপর। পরবর্তী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে আইএমএফ কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সরকার ও তাদের সংস্কার এজেন্ডা এবং নীতিগত অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করছেন,' বলেন তিনি।

আসন্ন সফর বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও সংস্কারের চ্যালেঞ্জগুলো খতিয়ে দেখার সুযোগ করে দেবে বলে মনে করেন তিনি।

চলতি বছরের ২১ মে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকের পর নতুন ঋণ কর্মসূচির অগ্রগতি সামনে আসে। পরে ২৫ মে অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার ও আইএমএফ নতুন করে ৩ বছর মেয়াদি একটি ঋণ কর্মসূচির বিষয়ে একমত হয়েছে। উৎস: ডেইলি স্টার।

  • সর্বশেষ