শিরোনাম
◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি ◈ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা প্রকল্পে অগ্রগতি: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কৌশলগত বার্তা

প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৯ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধসে ৪৩ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ

ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে ৬ দিনে ৪৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ। এছাড়া টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ২৪২ কিলোমিটার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিভাগীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যা ও পাহাড়ধসে এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলায় ১১ জন, কক্সবাজার জেলায় ২৩ জন (রোহিঙ্গা ১৩ জন), রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ৩ জন ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ৬ জনসহ সর্বমোট ৪৩ জন প্রাণ হারিছেন। সেই সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলায় ১২ জন, কক্সবাজার জেলায় ২৪ জন (রোহিঙ্গা ৫ জন), খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় একজন ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ২ জনসহ এ পর্যন্ত সর্বমোট ৩৯ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম জেলায় ৬ লাখ ৬২ হাজার জন, কক্সবাজার জেলায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭ জন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ৩ হাজার ৮২০ জন, খাগড়াছড়ি জেলায় ৩৪ হাজার ৪১৭ জন এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ৮ হাজার ৩৫০ জনসহ সর্বমোট ৮ লাখ ৬৬ হাজার ৬১৪ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রাম জেলায় ৬৭০টি, কক্সবাজার জেলায় ৬৪০টি, রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ৪৭টি, খাগড়াছড়ি জেলায় ১৫০টি এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ২২০টিসহ সর্বমোট ১ হাজার ৭২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যেখানে ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ২২ হাজার ৬০০ জন, কক্সবাজার জেলায় ২ হাজার ৯৭৪ জন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ৩ হাজার ৮২০ জন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ২ হাজার ৯১৬ জন এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ৪ হাজার ৭৪৫ জনসহ সর্বমোট ৩৭ হাজার ৫৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

এছাড়াও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম জেলায় ইতোমধ্যে ৫৪০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৪৩ লাখ টাকা, ৩০ হাজার ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও ১৭ হাজার ২৫০ প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কক্সবাজার জেলায় ১৮১ মেট্রিক টন চাল, ৩৩০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং নগদ ১৭ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ২৩৫ মেট্রিক টন চাল এবং ২০ লাখ টাকা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ৬৭ দশমিক ৬ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৮ লাখ টাকা, ৪৮৭ প্যাকেট শুকনো ও অন্যান্য খাবার এবং ২০ হাজার খাবার প্যাকেট এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলার ৭টি উপজেলার জন্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ২ হাজার ৯৫৩ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৩৫ প্যাকেট শিশু খাদ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়াও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন এনজিওর সহযোগিতায় (ব্র্যাক, ওয়াল্ড ভিশন, গ্রাউস, সোনে) আরও ১ হাজার ৮৪৫ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও ৬৮ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা উপ-বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ