শিরোনাম
◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়?

প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৯ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধসে ৪৩ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ

ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে ৬ দিনে ৪৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ। এছাড়া টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ২৪২ কিলোমিটার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিভাগীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যা ও পাহাড়ধসে এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলায় ১১ জন, কক্সবাজার জেলায় ২৩ জন (রোহিঙ্গা ১৩ জন), রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ৩ জন ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ৬ জনসহ সর্বমোট ৪৩ জন প্রাণ হারিছেন। সেই সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলায় ১২ জন, কক্সবাজার জেলায় ২৪ জন (রোহিঙ্গা ৫ জন), খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় একজন ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ২ জনসহ এ পর্যন্ত সর্বমোট ৩৯ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম জেলায় ৬ লাখ ৬২ হাজার জন, কক্সবাজার জেলায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭ জন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ৩ হাজার ৮২০ জন, খাগড়াছড়ি জেলায় ৩৪ হাজার ৪১৭ জন এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ৮ হাজার ৩৫০ জনসহ সর্বমোট ৮ লাখ ৬৬ হাজার ৬১৪ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রাম জেলায় ৬৭০টি, কক্সবাজার জেলায় ৬৪০টি, রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ৪৭টি, খাগড়াছড়ি জেলায় ১৫০টি এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ২২০টিসহ সর্বমোট ১ হাজার ৭২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যেখানে ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ২২ হাজার ৬০০ জন, কক্সবাজার জেলায় ২ হাজার ৯৭৪ জন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ৩ হাজার ৮২০ জন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ২ হাজার ৯১৬ জন এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ৪ হাজার ৭৪৫ জনসহ সর্বমোট ৩৭ হাজার ৫৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

Advertisement

এছাড়াও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম জেলায় ইতোমধ্যে ৫৪০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৪৩ লাখ টাকা, ৩০ হাজার ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও ১৭ হাজার ২৫০ প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কক্সবাজার জেলায় ১৮১ মেট্রিক টন চাল, ৩৩০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং নগদ ১৭ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ২৩৫ মেট্রিক টন চাল এবং ২০ লাখ টাকা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ৬৭ দশমিক ৬ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৮ লাখ টাকা, ৪৮৭ প্যাকেট শুকনো ও অন্যান্য খাবার এবং ২০ হাজার খাবার প্যাকেট এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলার ৭টি উপজেলার জন্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ২ হাজার ৯৫৩ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৩৫ প্যাকেট শিশু খাদ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়াও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন এনজিওর সহযোগিতায় (ব্র্যাক, ওয়াল্ড ভিশন, গ্রাউস, সোনে) আরও ১ হাজার ৮৪৫ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও ৬৮ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা উপ-বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ