মনিরুল ইসলাম: ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতায় ইতোমধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে দেশের বিভিন্ন এলাকা। বিশেষ করে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আগেই মাঠে নেমে পড়েছেন। জনসংযোগ, প্রচার এবং সমর্থন আদায়ে স্থানীয় পর্যায়ে শুরু হয়েছে নীরব প্রতিযোগিতা।
দলীয় ও মাঠপর্যায়ের একাধিক সূত্র জানায়, প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নেই চেয়ারম্যান পদে বিএনপির একাধিক নেতা প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কোথাও কোথাও এই সংখ্যা তিন থেকে চারজন ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এতে করে একক প্রার্থী নির্ধারণ এবং দলীয় ঐক্য বজায় রাখা বিএনপির জন্য বড় সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিএনপির নেতারা বলছেন, এখনো কেন্দ্র থেকে প্রার্থী বাছাই বা নির্বাচনী কৌশল নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে একাধিক প্রার্থীর মধ্যে সমন্বয় করে দল-সমর্থিত প্রার্থী নির্ধারণের প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বছরের শেষ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বরে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকেও চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে। ফলে খুব শিগগিরই স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, এখনো স্থানীয় পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা না থাকলেও দলের শীর্ষ নেতৃত্ব একক প্রার্থী নির্ধারণে গুরুত্ব দিচ্ছে।
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন সভা-সমাবেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ‘একক প্রার্থী’ দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে আসছেন। তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বারবার আহ্বান জানাচ্ছেন, অভ্যন্তরীণ বিভাজন এড়িয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দল-সমর্থিত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। তথ্য সূত্র : প্রথম আলো।