শিরোনাম
◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন ◈ অক্টোবরে চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ◈ ৩১তম জলবায়ু সম্মেলন: কূটনীতির কঠিন পরীক্ষায় বাংলাদেশ! ◈ রুবেলের ঘূর্ণিতে বাংলা‌দে‌শের হ‌্যা‌ট্রিক জয় ◈ দ্বিগুণ দামে দুই কার্গো এলএনজি আনছে সরকার ◈ ধানমন্ডি লেক সংস্কারে ৭৫ কোটি টাকার পরিকল্পনা, হচ্ছে ‘নজরুল সরোবর’

প্রকাশিত : ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪২ রাত
আপডেট : ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৫ রাত

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে নতুন আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে সরকার। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তারের পর অপরাধীকে থানায় হস্তান্তর করতেন এপিবিএন সদস্যরা।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ-বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন প্রতিপালন সাপেক্ষে ইউনিটের সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন এবং বিচারপদ্ধতির প্রস্তাব করা হয়েছে।

পুলিশ বাহিনীর অধীন এ ব্যাটালিয়ন পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ ব্যাটালিয়নকে জননিরাপত্তা রক্ষা, ভিআইপি ব্যক্তিদের নিরাপত্তা, সরকার ঘোষিত স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা, সন্ত্রাস, মাদক, মানব পাচার, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী কাজে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকার বলছে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্সের অধীনে গঠিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে অধিক জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিদ্যমান অধ্যাদেশ যুগোপযোগী করে বাংলায় নতুন আইনের খসড়া করে জনমত যাচাই করা হয়।

  • সর্বশেষ